প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, মেয়র সাঈদ খোকন ও আতিকুল ইসলাম ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এ ছাড়া দেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক–সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ স্মৃতিসৌধে একাত্তরে শহীদ হওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
শোক ও স্বাধীনতার গর্বিত মুহূর্ত খুব কম জাতির জীবনে পাশাপাশি এসেছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায় ২৬ মার্চ। স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও পৃথকভাবে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

