রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৫১
শিরোনাম :
বরিশালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত প্রতিশোধ নয়—ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সমাজ গড়তে চাই: রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে যানজট নিরসনে ঢাকার ৪ টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম,দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টা, যুবক আটক দেশে হাম ও উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯১৭ র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনে বিল, সংসদে বিতর্ক

নৌকায় বোরকা পরে ভারতে পালাচ্ছিল সাহেদ

ডেক্সরিপোর্ট  বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক শাহেদ করিম বোরকা পরে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে সংক্ষিপ্ত প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় তার কাছে অস্ত্র ও তিন রাউন্ড গুলিও পাওয়া গেছে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, ভোরে সীমানা অতিক্রম করে ভারতে যাবার পরিকল্পনা করছিলেন শাহেদ। আর তখনই তাকে ধরা হয়। তার কাছে একটা ম্যাগজিন, একটা পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও মোবাইল পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, শাহেদ একটি নৌকায় বোরকা পরে ছিলেন যেন তাকে চেনা না যায়। নদীর পাড়ে ওঠার আগেই তাকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকায় ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

আশিক বিল্লাহ বলেন, শাহেদকে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অনুসরণ করেই এখান থেকে ধরেছি। তিনি বারবার তার রূপ পরিবর্তন করেছেন। এর আগে তিনি তার সাদা চুল কালো করেছেন। দাড়িগোঁফ ফেলে দিয়েছেন। তবে তিনি সাঁতরিয়ে যেতে পারেননি। তিনি মোটা মানুষ তাই দৌড়াতেও পারেনি। তবে, নৌকার মাঝি সাঁতরিয়ে পালিয়ে গেছেন।

গত ৬ জুলাই করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়। ৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এজাহারে। এরপর থেকেই পালিয়ে ছিলেন সাহেদ। তাকে গ্রেফতারে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় র‌্যাব। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় তারা।