বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৪৪
শিরোনাম :
বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ‘ট্যাব উপহার’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড,গুম-নিপীড়নের মাধ্যমে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছিল শেখ হাসিনা: স্পিকার নানা আয়োজনে বরিশালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদ্মা সেতুতে বাস উল্টে নারী-শিশুসহ আহত ৮ ডা. অমিতাভের কাছে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সহ হাজারো রোগী জিম্মি, মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর নির্দেশ

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন হবে

ডেস্করিপোর্ট  আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে এলেন। আর তখন থেকেই শুরু হলো ষড়যন্ত্র। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিভক্তি হলো। জাসদ সৃষ্টি হলো। একটা চেষ্টা ছিল, বঙ্গবন্ধুকে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরানোর। সেই চেষ্টা যখন সফল হলো না তখন তারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটালো। বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন কেবল সময়ের ব্যাপার বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জাতির পিতার ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী এবং ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আজ খুনিদের বিচার হয়েছে। এই ঘটনার যারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল তারাও সমান অপরাধী। আমি সবই জানি। বিচারটা জরুরি ছিল। ধীরে ধীরে সবটাই বের হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা হত্যার নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারীদের বের হয়ে আসাটা কেবল সময়ের ব্যাপার বলে উল্লেখ করে বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্র প্রস্তুতকারীরাও সমান দোষী সেটা ভুললে চলবেনা। এই হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে এবং যারা পাশে ছিল, ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে সবাই কিন্তু সমানভাবে দোষী। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করাটা জরুরি ছিল সেটা করেছি এবং কারা জড়িত ছিল একদিন সেটাও বের হবে, সেদিনও খুব বেশি দেরী নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা তখনকার পত্র-পত্রিকাগুলো পড়লেই অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে কেনা একটা বিধ্বস্ত দেশ গড়তে যেখানে বছরের পর বছর লেগে যায় সেখানে একটি বছরও সময় দেয়া হলোনা, সাথে সাথে সমালোচনা শুরু হলো। ধৈর্য্য না ধরে নানা সমালোচনা, নানা কথা লেখা হলো। কারা এগুলো লিখেছিল, কাদের খুশী করতে এবং এই হত্যাকাণ্ডের জন্য গ্রাউন্ড প্রিপেয়ার কারা করছিল? আত্মস্বীকৃত খুনী ফারুক-রশিদের বিবিসিতে প্রদত্ত ইন্টারভিউ-এর উদ্ধৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে এবং যারা পাশে ছিল ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে সবাই কিন্তু সমানভাবে দোষী।

শেখ হাসিনার মনে করেন, আমি সবসময় বলেছি বাংলাদেশের দুঃখী নিরন্ন জনগণের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা এবং উন্নত জীবনের ব্যবস্থা, যেটা জাতির পিতার আজীবন লালিত স্বপ্ন। সেই ব্যবস্থা যখন করতে পারবো সেদিনই আমি মনেকরি এই হত্যার প্রকৃত প্রতিশোধ নিতে পারবো। অনুষ্ঠানের শুরুতে ’৭৫ এর ১৫ আগস্টে শহিদ জাতির পিতা, বঙ্গমাতা এবং তাঁদের পরিবারের শাহাদতবরণকারি সদস্যদের সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।