বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:১৬
শিরোনাম :
অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন! বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ,বিচারপ্রার্থীদের মাঝে আতঙ্ক

কুষ্টিয়ায় পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

ডেস্করিপোর্ট  কুষ্টিয়ায় মহান বিজয় দিবসে পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টায় কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে মহান বিজয় দিবস – ২০২১ উপলক্ষে পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোঃ খাইরুল আলম বলেন, আজ ১৬ ডিসেম্বর; মহান বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী। আজ বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় ও অহংকারের দিন। প্রায় ৯ মাস বিভীষিকাময় সময়ের পরিসমাপ্তির দিন। লাখ লাখ বীর মুক্তিযোদ্ধার রক্তস্রোত, স্বামী-সন্তানহারা নারীর অশ্রুধারা, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা আর বীরাঙ্গনাদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে অর্জিত হয়েছিল মহান এই বিজয়। ৫০ বছর আগে এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় বাঙালি জাতিকে এনে দিয়েছিল আত্মপরিচয়ের ঠিকানা।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ করেছিলেন পুলিশ সদস্যরা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনীর হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে রাজারবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের শতাধিক সদস্য শহীদ হয়েছিলেন। রাজারবাগসহ দেশের বিভিন্নস্থানে প্রায় ১৪ হাজার পুলিশ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্যে শহীদ হয়েছিলেন ৭৩৯ জন পুলিশ সদস্য।

তিনি আরও বলেন, শ্রদ্ধা জানাই ৩০ লাখ শহিদ ও নির্যাতিত মা বোনদের প্রতি, যারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশমাতৃকার স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।

এসপি খাইরুল আলম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেছে। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হবে। এবারের সুবর্ণজয়ন্তীতে আমাদের শপথ গ্রহণ করতে হবে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা একটি উন্নত অসাম্প্রদায়িক এবং মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), মোঃ ফরহাদ হোসেন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, মোঃ রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ার সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ এবং পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যবৃন্দ