বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:০৭
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়ে নদীর পাড়ে থাকছে গ্রামের মানুষ

অনলাইন ডেস্ক  অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়ে হাজারো মানুষ নদীর পাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত মই নদীর কাছে কয়েক হাজার গ্রামবাসী অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করে বসবাস করছেন।

খবর থেকে জানা যায়, মিয়ানমারের এই নাগরিকরা সীমান্ত পার হয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিতে চান না। আবার নিজ গ্রামেও ফিরতেও চান না। কারণ, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সেখানে হানা দেয়। একইসঙ্গে বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর গণতন্ত্রপন্থিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪৭ জন নিহত হয়েছেন। ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।

আতঙ্কে অনেকে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু সেখানকার শরণার্থী শিবিরগুলো থাকার অনুপযোগী। তাই অনেকে আবার বাধ্য হয়ে মিয়ানমারে ফিরে আসেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, শুক্রবার প্রায় দুই হাজার মানুষ মই নদীর পাশে আশ্রয় নেয়। তারা আলাদা চারটি জায়গায় তাঁবু স্থাপন করেছে।

সাবাল ফিউ নামে ৪২ বছর বয়সী এক নারী জানান, তিনি ও তার পরিবার থাইল্যান্ডে পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি দেখে আবার সীমান্তের কাছাকাছি নদীর পাড়ে থাকছেন। এখানে তাদের অনেকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করছে। কিন্তু অনেক সময় সেটা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে প্রায় ৮ হাজার মিয়ানমারের নাগরিক অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছেন।