শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:২৪
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়ে নদীর পাড়ে থাকছে গ্রামের মানুষ

অনলাইন ডেস্ক  অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়ে হাজারো মানুষ নদীর পাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত মই নদীর কাছে কয়েক হাজার গ্রামবাসী অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করে বসবাস করছেন।

খবর থেকে জানা যায়, মিয়ানমারের এই নাগরিকরা সীমান্ত পার হয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিতে চান না। আবার নিজ গ্রামেও ফিরতেও চান না। কারণ, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সেখানে হানা দেয়। একইসঙ্গে বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর গণতন্ত্রপন্থিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪৭ জন নিহত হয়েছেন। ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।

আতঙ্কে অনেকে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু সেখানকার শরণার্থী শিবিরগুলো থাকার অনুপযোগী। তাই অনেকে আবার বাধ্য হয়ে মিয়ানমারে ফিরে আসেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, শুক্রবার প্রায় দুই হাজার মানুষ মই নদীর পাশে আশ্রয় নেয়। তারা আলাদা চারটি জায়গায় তাঁবু স্থাপন করেছে।

সাবাল ফিউ নামে ৪২ বছর বয়সী এক নারী জানান, তিনি ও তার পরিবার থাইল্যান্ডে পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি দেখে আবার সীমান্তের কাছাকাছি নদীর পাড়ে থাকছেন। এখানে তাদের অনেকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করছে। কিন্তু অনেক সময় সেটা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে প্রায় ৮ হাজার মিয়ানমারের নাগরিক অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছেন।