শনিবার, ৮ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১:৫৮
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ডাক পেলেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদল নেতা তানজিল কনটেন্ট ক্রিয়েটর পাভেল মুন্সির মনগড়া অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, স্থানীয়দের ক্ষোভ! তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় চীনের জনগণ ও সরকার প্রেমিককে পেতে মুসলিম হলেন হিন্দু তরুণী,বিয়ে হলেও মিথ্যা মামলায় প্রেমিক তামিম জেল হাজতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবারের ছুটি বাতিল সরকারি চাকরিজীবীদের জেলেদের আগের তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সময়ের আগেই ধান কাটতে বাধ্য হওয়ায় হাওড়ের কৃষকদের চোখে হতাশার ছাপ বরিশালে শিশু সন্তানসহ গৃহবধূ নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীনের দূরদর্শিতায় এগিয়ে যাচ্ছে এ.কে স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নারী ইউপি সদস্যকে ‘ধর্ষণ-হত্যার পর জানাজাও পড়েছিল’ খুনি

ডেস্করিপোর্ট  বগুড়ায় এক নারী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ৬০ বছরের এক ব্যক্তিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার আবদুল লতিফ শেখ (৬০) পেশায় একজন আসবাবপত্র ব্যবসায়ী। হত্যার পর ওই নারী ইউপি সদস্যের জানাজা ও দাফনেও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে র‌্যাবের ভাষ্য।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, লতিফ শেখ ২০০৯ সালের একটি ধর্ষণ মামলারও প্রধান আসামি। ওই মামলায় তিনি সাত মাস কারাগারে থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। ১৩ বছরেও মামলার বিচার শেষ হয়নি।

গতবছর ২২ সেপ্টেম্বর বগুড়ায় একটি ইটভাটার পাশে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারী ইউপি সদস্যের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ইউপি সদস্যের স্বামীসহ দুইজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে লতিফ শেখ একাই ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

আল মঈন বলেন, “হত্যাকাণ্ডের সাত মাস আগে ইউনিয়ন পরিষদে কম্বল বিতরণের একটি অনুষ্ঠানে ওই জনপ্রতিনিধির সঙ্গে লতিফ শেখের পরিচয় হয়। পরে তার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এবং আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন সময় দেখা করেন লতিফ শেখ।

“গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর লতিফ কৌশলে ওই জনপ্রতিনিধিকে একটি ইটভাটার পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং কৌশলে চেতনানাশক প্রয়োগ করেন। এরপর তাকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ওই নারীকে হত্যা করে মরদেহ সেখানেই ফেলে যান।”

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, “নিজেকে সন্দেহের বাইরে রাখতে পরে লতিফ স্থানীয়দের সঙ্গে মিলে জনপ্রতিনিধিকে খোঁজাখুঁজি করার ভান করেন। মরদেহ উদ্ধারের পর তিনি জানাজা ও দাফনেও অংশ নেন। চারদিন পর তিনি এলাকা ছাড়েন।”

লতিফ প্রথমে শ্রমিক হিসেবে নোয়াখালীতে কিছুদিন কাজ করেন। পরে মুন্সিগঞ্জে আত্মগোপন করেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১২ এর একটি দল।

নিহত ইউপি সদস্যের ভাইয়ের সন্দেহ ছিল, তার স্বামীও এ হত্যায় জড়িত। তার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ওই নারীর স্বামী এখন কারাগারে। তবে লতিফ শেখ র‌্যাবকে বলেছেন, ওই ঘটনায় আর কেউ তার সঙ্গে ছিল না।