মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৫৭
শিরোনাম :
বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী কেদারপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ও ফ্যাসিস্ট আ’লীগ নেতা নুর আলম বেপারী গ্রেপ্তার দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল

ক্রিমিয়া আর কখনোই ইউক্রেনের হবে না

অনলাইন ডেস্ক  ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলে যাওয়া কৃষ্ণসাগরীয় উপদ্বীপ ক্রিমিয়া আর কখনও ইউক্রেনের অংশ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোরান মিলানোভিচ।

কিয়েভকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে জাগরেবের আপত্তির কথা জানিয়ে সোমবার তিনি এ মন্তব্য করেন।

মিলানোভিচ বলেন, ইউক্রেনকে জার্মানির ট্যাংক সরবরাহ রাশিয়াকে চীনের আরও ঘনিষ্ঠ করবে। এটি স্পষ্ট যে, ক্রিমিয়া আরও কখনও ইউক্রেনের অংশ হবে না।

গত বছর ডিসেম্বরে ক্রোয়েশিয়ার আইনপ্রণেতারা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সহযোগিতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশনে যোগ দেওয়ার একটি প্রস্তাব নাকচ করেন। এতে করে প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেন কোভিচ ও মিলানোভিচের মধ্যে গভীর বিরোধ প্রকাশ পেয়েছে।

মিলানোভিচ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পশ্চিমা দেশগুলোর ‘দ্বিমুখী নীতির’ সমালোচনা করে বলেন, রাশিয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘কসোভো আলাদা করার’ নীতিকে ইউক্রেনের বিভিন্ন অংশ দখলের অজুহাত হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।

১৯৯৮-৯৯ সালের যু্দ্ধে নেটো যুগোস্লাভিয়ায় বোমা মেরে সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোকে চাপে ফেলে আলবেনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ কসোভোর সুরক্ষা নিশ্চিত করেছিল; এরপর ২০০৮ সালে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

সেই প্রসঙ্গ সামনে এনে মিলানোভিচ বলেন, ‘আমরা কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছি, সেটি যে দেশের (সার্বিয়া), তাদের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে।’

তবে তিনি কসোভোর স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন না জানিয়ে বলেন, পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতি বোঝাতেই তিনি আলবেনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাটির উদাহরণ হাজির করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট মিলানোভিচ বলেছেন, ১১ মাসের যুদ্ধের সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করুক তার দেশ, এমনটি তিনি চান না। পশ্চিমারা যা করছে তা গভীরভাবে অনৈতিক। কারণ এই যুদ্ধের কোনও সমাধান নেই।