মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:০৮
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল,অতিষ্ঠ এলাকাবাসী দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

তাপসের নামে শুধু সঞ্চয়পত্রই আছে ১০০ কোটি টাকার

ডেস্ক রিপোর্ট ।। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সাবেক মন্ত্রী-এমপি-সচিবসহ অনেকের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ এনে জোর তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই তদন্তে নাম আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসেরও।

তাপসের নামে ১০০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে বলে জানতে পেরেছে দুদক। তাদের এক গোপন অনুসন্ধানে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এবার কমিশনের বিশেষ একটি দল এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

সূত্র জানায়, দুদকের গোপন অনুসন্ধানে তাপসের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকাশ্য অনুসন্ধানে তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হদিস পাওয়া যাবে।

দুদকের অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে, সাবেক মেয়র তাপসের গোপালগঞ্জে মাছের খামার রয়েছে। আদতে দেখা যায় সেসবের কোনো অস্তিস্ব নেই। সেই অস্তিত্বহীন মাছের খামার দেখিয়ে মুনাফা হিসেবে ৩৫ কোটি টাকা উল্লেখ করেছেন তাপস। পরে তিনি এ টাকার মধ্য থেকে ৩২ কোটি টাকায় মধুমিতা ব্যাংকের শেয়ার কেনেন। তিনি এ ব্যাংকের পরিচালক। আর ওই ১০০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছেন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে।

দুদক জানায়, ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকার প্রায় ৩০০টি বাড়ি কোথাও পূর্ণ, কোথাও আংশিক দখল করেছেন সাবেক মেয়র। এ ক্ষেত্রে ডিএসসিসি ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান ও মো. জাহাঙ্গীর তাকে সহায়তা করেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সাবেক একজন সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষার দাবিতে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। বিষয়টি সামনে এনে সাবেক মেয়র ডিএসসিসির ওই দুই ম্যাজিস্ট্রেট ও দলীয় লোকজনের প্রভাবে কামরাঙ্গীচরের কাঁচা, আধাপাকা ও ছোট ছোট পাকা প্রায় ৩০০টি বাড়ি কোথাও আংশিকভাবে, কোথাও পূর্ণ বাড়ি দখল করে নেন।