মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:০৭
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সের বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট ।। পতিত আওয়ামী সরকারের সময়ে চালু হওয়া অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ ও লাইসেন্স প্রদানের বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছে ‘মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদ’। একইসঙ্গে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল পাশের বিধান করা সহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে শিশু কল্যাণ পরিষদের কনফারেন্স লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেললে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি কাজী ছাব্বীর। তিনি বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থী যাচাই পূর্বক স্থায়ী নিকাহ্ রেজিস্ট্রার

নিযোগের নিয়োগের জন্য বিদ্যমান মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা-২০০৯ এর বিধি-৬ সর্বজনস্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য। অথচ পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ একটি কুচক্রি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তড়িঘড়ি করে অস্থায়ী নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের বিশেষ বিধানটি জারি করিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকশ’ অস্থায়ী নিকাহ্ রেজিস্টারের লাইসেন্স দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কুচক্রী মহলটি অনেক নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের ক্ষতি সাধন করেছে। সঙ্গত কারণে স্থানীয় পর্যায়ে চরম বিশৃঙ্খলা হওয়ায় বহু মামলা মোকদ্দমা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এটি একটি কালো বিধান হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হলে এক পর্যায়ে মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে অস্থায়ী নিকাহ্ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম বন্ধ করে বিগত সরকার। তবে সম্প্রতি সেই কুচক্রী মহলটি সক্রিয় হয়ে অসত্য তথ্য প্রদানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে বিভ্রান্ত করে আবার অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ চালু করানোর পাঁয়তারা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো- বাল্য বিবাহ ও বহু বিবাহ প্রতিরোধের লক্ষ্যে কনের এলাকার নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে/অফিস কেন্দ্রিক বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা, নিকাহ্ রেজিস্ট্রারদের অবসরকালীন সময়ে সরকার কর্তৃক এককালীন পঞ্চাশ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা, নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের নিয়োগকালীন অধিক্ষেত্র অবসর পর্যন্ত বহাল রাখা, যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে পুত্র সন্তান নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের বিধানকে সংশোধন করে পুত্র সন্তানকে সরাসরি নিকাহ রেজিস্টারের লাইসেন্স প্রদানে আইন প্রণয়ন করা ইত্যাদি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং আইন সচিব বরাবর দাবি-দাওয়া সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মেহেদী হাসান নোমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডিয়াম সদস্য,মোঃ আমানুল্লাহ আমান, মো. খাদেমুল ইসলাম, সালেহ আহাম্মদ, মাহমুদুল হাসান ফুয়াদ, হাবিবুর রহমান মিঠু, মহিউদ্দিন তাজীম, আনোয়ারুল হক, ফুয়াদুল ইসলাম ফুয়াদ, আবু মুসা, এবিএম বাকী বিল্লাহ ও বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।