সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:১০
শিরোনাম :
বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার একটি এমএমআর ও কাজি অফিসে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অফিসের রেজিস্ট্রার সামসুল হক পালিয়ে যান। এ ঘটনায় অফিসটি তালাবদ্ধ করে তার লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন জানান, রেজিস্ট্রার সামসুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গোপনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, প্রশাসনের উপস্থিতির খবর পেয়ে সামসুল হক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তবে অফিসে থাকা সুফিয়ান ও আবদুস সাত্তার নামে দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযানের সময় কাজি অফিস থেকে বিবাহ নিবন্ধনের ভলিউম বই জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অফিসটি তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও।

লাভলী ইয়াসমিন আরও বলেন, রেজিস্ট্রার সামসুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, এর আগেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সামসুল হক কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পেয়েছিলেন।