বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:৪৮
শিরোনাম :
অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন!

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলা

অনলাইন ডেস্ক  ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে কমপক্ষে তিনটি রকেট হামলা হয়েছে। গতকাল রোববার এই হামলা হয়। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

একটি রকেট মার্কিন দূতাবাসের ক্যাফেটেরিয়ায় আঘাত হানে। অন্য দুটি রকেট কাছেই পড়ে। একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই তথ্য জানায়।

একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, এই রকেট হামলায় অন্তত তিন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

গত কয়েক বছরের মধ্যে এমন রকেট হামলায় এই প্রথম মার্কিন দূতাবাসের কর্মী আহত হলেন।

রকেট হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে অতীতে এই ধরনের হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহদি। তিনি বলেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড ইরাককে একটি রণক্ষেত্রে পরিণত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা পরিপালন করতে তারা ইরাক সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

সম্প্রতি বাগদাদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত ইরাকি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক হামলা হয়।

গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাশেম সোলাইমানি নিহত হন। একই হামলায় ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইরাকি মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল-মুহানদিসও নিহত হন।

কাশেম সোলাইমানি হত্যার জেরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। ইরাকেও মার্কিনবিরোধী ক্ষোভ বাড়ে।

৮ জানুয়ারি ইরাকে মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত দুটি ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চালিয়ে সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়। পরে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে একাধিক রকেট হামলা হয়। মার্কিন দূতাবাসে হামলার দায় ইরান অস্বীকার করে আসছে।