শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:২১
শিরোনাম :
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার

এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ:পাস বেড়েছে, কমেছে জিপিএ-৫

ডেক্সরিপোর্ট: ২০১৯ সালের এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সোমবার বেলা ১১টার পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফলের সারসংক্ষেপ ঘোষণা করেন।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দশ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ।গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। অর্থাৎ এবার পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।তবে কমেছে জিপিএ-৫।শিক্ষার্থীদের বহু প্রত্যাশিত জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।আর গেল বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ শিক্ষার্থী। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫ হাজার ৩৫ জন।

ঘোষিত ফলে দেখা গেছে, স্কুল বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ, আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ।

গত বছর এ পরীক্ষায় ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। ২০১৭ সালে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ ছাত্র।

এবার এসএসসিতে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ।

শিক্ষার্থীরা দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন। নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামে প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

আর মাদ্রাসা বোর্ডের ক্ষেত্রে Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

এ ছাড়া কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল জানতে ssc লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

এ ছাড়া www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল ডাউনলোড করা যাবে।

প্রথা অনুযায়ী, আগে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর হাতে পাবলিক পরীক্ষার ফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হতো। এর পর শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত জানাতেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন সফরে থাকায় তা হলো না।

তবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংযুক্ত করেন। পরীক্ষায় যারা কৃতকার্য হয়েছেন, তাদের প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর আমি সশরীরে উপস্থিত থেকে এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করি এবং তোমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করি।

এ বছর আমি লন্ডনে সফরে থাকার কারণে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলাম। এ জন্য আমি তোমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, তোমরা তোমাদের মেধা-মননের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং আগামীতে দেশ পরিচালনার জন্য নিজেদের যোগ্য করে প্রস্তুত করবে- এই প্রত্যাশা করছি। মহান আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হোন।