মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ ইং, রাত ৯:০২
শিরোনাম :
অপপ্রচারের শিকার বরিশালের আইনজীবী জাকির, পাওয়া গেল ভিন্ন তথ্য মাথা কেটে আলাদা করার সময়ও বেঁচে ছিল শিশু রামিসা! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প গৌরনদীতে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নারী শিশু সহ আহত ৫ কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল জুলাই সনদ না মেনে জন আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নেয়ায় সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে : মিয়া গোলাম পরওয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুঃ বেলভিউ কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহণ চালালে লাইসেন্স বাতিল

বালিশ দুর্নীতি: অনিয়মের ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার

ডেক্সরিপোর্ট:রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আওতাধীন গ্রিন সিটি প্রকল্পের আসবাব কেনা ও ফ্লাটে ওঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়মের ঘটনায় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এছাড়া এ বিষয়ে তদন্তে গত রোববার দুটি কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কেনাকাটায় দুর্নীতির বিষয়টিতে নজর রাখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

মঙ্গলবার ইকবাল মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন দুদকের নজরে এসেছে। দুদক তার নিজস্ব পদ্ধতিতে এগোবে। তিনি বলেন, কথা হল দুর্নীতি হয়েছে বা হয়নি। গণমাধ্যমের যে তথ্য সেখানে আমি দেখেছি বালিশ, কেটলি এসব বিষয়।

দেখেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কিছু প্রসিডিউর আছে। একটা রিপোর্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তো জাম্প দিতে পারি না। সেটা দেখতে হয়, বুঝতে হয়, চারদিক দেখতে হয়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আবাসন পল্লীতে আসবাব কেনাসহ অন্য আনুষঙ্গিক কাজে দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পরিপ্রেক্ষিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিল পরিশোধ না করতে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।