শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:২২
শিরোনাম :
বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

করোনায় শরীরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়

ডেক্সরিপোর্ট  মহামারি নোভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) শনাক্ত হওয়া রোগীদের এক-তৃতীয়াংশের শরীরে বিপজ্জনকভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তের জমাট বাঁধা, যা ক্লট বা থ্রোম্বোসিস নামে পরিচিত, এটি করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার বাড়িয়েছে। খবর বিবিসির।

গত মার্চে যখন বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেসময়ে থেকেই চিকিৎসকরা দেখেছেন, রোগীর শরীরে রক্তে ক্লট তৈরি হয়, তবে তা ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তাছাড়া কিছু রোগীর ফুসফুসে শত শত ক্ষুদ্র ক্লট দেখা গেছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণে দেহের গভীর শিরাগুলোতে থ্রোম্বোসিস তৈরি হয়, যা সাধারণত পায়ের শিরায় দেখা যায়। এভাবে রক্ত জমাট বেঁধে শিরার জায়গায় জায়গায় আটকে পড়ে কিংবা সেগুলো যদি টুকরো বা ক্ষুদ্র হয়ে ভেঙে ফুসফুসের দিকে যায়, তখন তা রক্ত চলাচলকে আটকে দিয়ে জীবন হুমকির মুখে ঠেলে দেয়।

এমনই একজন রোগী ছিলেন লন্ডনের শিল্পী ব্রায়ান ম্যাকক্লার। গত মাসে নিউমোনিয়ার লক্ষণ নিয়ে তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, তিনি করোনা আক্রান্ত। শুধু তাই নয়, ভাইরাসের সংক্রমণে তার রক্তে জমাট বেঁধে গেছে।

তিনি বলেন, আমার ফুসফুসে স্ক্যান করে দেখা গেল তাতে রক্ত জমাট। আমাকে জানানো হলো, জীবন সংকটাপন্ন। তবে শেষপর্যন্ত চিকিৎসায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আমি এখন বাসায় চিকিৎসাধীন আছি।

লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালের থ্রোম্বোসিস ও হেমোস্টেসিস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রুপেন আর্য বলেন, গত কয়েক সপ্তাহের করোনা রোগীর বিপুল তথ্য ঘেটে আমরা নিশ্চিত হয়েছি; করোনার কারণে রক্তে থ্রোম্বোসিস তৈরি হয়েছে, যা একটি ভয়ানক সমস্যা। এটি বিশেষ করে করোনা রোগীর অবস্থা জটিল করে দেয়। চিকিৎসাকে জটিল করে দেয়। আমার ধারণা রক্ত জমাট ৩০ শতাংশ নয়, ইউরোপের অর্ধেক করোনা রোগীর ক্ষেত্রেই এটি ঘটছে। আর এতে মৃত্যুর হারও বেড়েছে।