মঙ্গলবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৪৪
শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন

সাতক্ষীরায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ৫ শর্তে বাড়িতে পাঠালেন বিচারক

ডেক্সরিপোর্ট  সাতক্ষীরায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় এক বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হাসান আলী সরদারকে (২৫) কারাগারে না পাঠিয়ে বাড়িতে প্রবেশনে পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন আদালত। তবে এই সময় তাকে পাঁচটি শর্ত পালনের আদেশ দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ইয়াসমিন নাহার মঙ্গলবার এ যুগান্তকারী আদেশ দেন।

আসামি হাসান আলী সরদার সদর উপজেলার ভাদড়া গ্রামের রজব আলী সরদারের ছেলে। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এটিএম ফখরুল আলম ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন শামছুল বারী।

আইনজীবী এটিএম ফখরুল আলম জানান, মঙ্গলবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার রায়ে তিন কেজি গাঁজা রাখার অপরাধ প্রমাণিত হয়। আদালত আসামি হাসান আলী সরদারকে এক বছরের প্রবেশন দিয়েছেন। তবে তাকে পাঁচটি শর্ত মানতে হবে।

বাড়িতে থাকাকালীন শর্তগুলো হল: কোনো ধরনের মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করবে না, খারাপ সঙ্গীর সঙ্গে মিশবে না, প্রবেশনকালীন ১০টি গাছ রোপণ করতে হবে, বাবা-মায়ের সেবা করতে হবে, সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে হবে। প্রচারণার সময় কী কী উল্লেখ করতে হবে- তাও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। শর্ত ভঙ্গ করলে তাকে আবারও কারাগারে যেতে হবে বলে আদেশ দেন আদালত।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, সাতক্ষীরার আদালতের এটি একটি উল্লেখযোগ্য আদেশ। সাজাপ্রাপ্ত আসামি শর্তগুলো মানছে কি না, তা তদারকি করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সাতক্ষীরা সমাজসেবা অফিসের প্রবেশনাল অফিসারকে। তিন মাস পরপর সমাজসেবা অফিসারকে আদালতে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেয়ার আদেশও দেয়া হয়েছে।