সোমবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৫৩
শিরোনাম :
বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার

খ্রিস্টানরা ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করতে পারবে: মালয়েশিয়ার আদালত

অনলাইন ডেস্ক  খ্রিস্টানরা ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করতে পারবে বলে মত দিয়েছেন মালয়েশিয়ার উচ্চ আদালত। প্রায় এক দশক ধরে আইনি লড়াইয়ের পর বুধবার কুয়ালালামপুরের উচ্চ আদালত এ রায় দেন।

বিবিসি জানিয়েছে, এক খ্রিস্টান নারীর ধর্মীয় উপকরণে আল্লাহ শব্দ থাকায় সেই উপকরণ জব্দ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই মামলার রায়ে এ ঘোষণা দিয়েছেন আদালত।

আগে মালয়েশিয়ায় অমুসলিমরা ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করতে পারত না। এ শব্দ ব্যবহারের ঘটনায় অতীতে দেশটিতে সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বলছে, তারা শত শত বছর ধরে সৃষ্টিকর্তা বোঝাতে ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করে আসছে, যা আরবি থেকে মালয় ভাষায় এসেছে। অতীতের নিষেধাজ্ঞাটি তাদের এই শব্দ ব্যবহারের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছিল বলে দাবি তাদের।

২০০৮ সালে জিল আয়ারল্যান্ড লরেন্স বিল নামে এক খ্রিস্টান নারীর কাছ থেকে কিছু সিডি জব্দ করা হয়। বিমানবন্দর থেকে জব্দ করা সিডিগুলোতে দেখা যায়, এগুলোর রেকর্ডিংয়ের শিরোনামে ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।

এরপর বিল নামে ওই নারী আদালতের ১৯৮৬ সালের এক নির্দেশের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করেন। সেই নির্দেশে খ্রিস্টানদের প্রকাশনায় ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

এই চ্যালেঞ্জের এক দশকেরও বেশি সময় পর বুধবার কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট রায় দেন, নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী বৈষম্যের শিকার না হওয়ার অধিকার ওই নারীর রয়েছে।

মালয়েশিয়ার সংববিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। তবে কয়েক বছর ধরে দেশটিতে ধর্মীয় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশটিতে মোট জনসংখ্যার তিনভাগের দুই ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলিম। তবে সেখানে বড় পরিসরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও রয়েছে।