সোমবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ২:২৭
শিরোনাম :
পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

‘মুসলিম’ হয়ে ‘হিন্দু’ নাম কেনো নিয়েছিলেন দিলীপ কুমার

অনলাইন ডেস্ক  দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভোগার পরে বুধবার চলে গেলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার। কিন্তু মৃত্যুর পরেও রয়ে গেছে সেই প্রশ্ন, মোহাম্মদ ইউসুফ খান কেনো হিন্দু নাম নিয়ে দিলীপ কুমার হয়েছিলেন?

নাম ও পদবি বদলের পিছনে দু’টি কারণ শোনা যায়। একটি ভয়, অন্যটি প্রেম। তবে আরও একটি কারণ ছিলো বলে মনে করা হয়। যেটি অবশ্য দিলীপ কুমার কখনও নিজের মুখে স্বীকার করেননি। যদিও তৃতীয় কারণটিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সময়ের আলোচনায়। বলা হয়, হিন্দু দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই এই নামবদল।

বাস্তবের ইউসুফকে বলিউড চিনতে পারে স্বাধীনতার বছর ১৯৪৭ সালে ‘জগনু’ ছবিতে অভিনয়ের পরে। তবে তার অনেক আগেই ১৯৪৪ সালে প্রথম ছবি। সেই ‘জোয়ার ভাটা’ ছবির প্রযোজক ছিলেন দেবিকা রানি। দেবিকাই নাকি, ইউসুফ খানকে ‘দিলীপ কুমার’ নাম নিতে বলেছিলেন। তাই অভিনেতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি নতুন নামে পরিচিতি পেতে থাকেন। তবে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসা ইউসুফ অভিনয় শুরু করার পরে বাবা যাতে জানতে না পারেন তার জন্য নাম বদলেছিলেন বলেও শোনা যায়। এমনটা নাকি একটি সাক্ষাৎকারে নিজেই বলেছিলেন দিলীপ। তবে দেবিকা রানির ইচ্ছার কথাই লিখে গিয়েছেন দিলীপ।

তার আত্মজীবনী ‘দ্য সাবস্টেন্স অ্যান্ড দ্য শ্যাডো’-তে দিলীপ লিখেছেন, ‘দেবিকা রানি বলেছিলেন, আমি ভাবছি তোমার একটা স্ক্রিন নাম হলে ভাল হয়।’ বইতে এমন লিখলেও ১৯৭০ সালে এক সাংবাদিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বাবার ভয়েই নাম বদল করতে হয়েছিল। কারণ বাবা অভিনয় পেশাকে পছন্দই করতেন না।

‘নৌটঙ্কি’ বলে মনে করতেন। বন্ধু দেওয়ান বসেশ্বরনাথ কাপুরের নাতি রাজ কাপুরের অভিনয় জগতে আসাটাও মেনে নিতে পারেননি দিলীপের বাবা।