মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:০৭
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

দৌলতপুরে অধিক মুনাফা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১৫ কোটি আত্মসাৎ

ডেস্করিপোর্ট  পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দৌলতপুরের একটি ক্ষুদ্র ঋণদান সমবায় সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

এ ঘটনায় রোববার রাতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন আব্দুল মজিদ নামের ভুক্তভোগী এক গ্রাহক।

উপজেলার কাকনা বাজারে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ঋণদান সমবায় সমিতির কার্যালয় থেকে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ এর সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের একটি দল।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- কাকনা বাজারে অবস্থিত সমিতির সভাপতি আছমা আক্তার (৩২) এবং সাধারণ সম্পাদক তার স্বামী মো. ছানোয়ার হোসেন (৪০) ও কোষাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম দুলাল (৩৬)।

র‌্যাব-৪ এর সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরিফ হোসেন বলেন, প্রায় ১২ বছরে কথিত ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গ্রেফতার ওই তিনজনকে রোববার রাতে দৌলতপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এজাহার এবং র‌্যাব-৪ এর সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ ক্যাম্প সূত্র জানা গেছে, এক যুগ আগে উপজেলার কাকনা বাজারে দেশ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামে ক্ষুদ্র ঋণদান সমিতির একটি প্রতিষ্ঠান খুলে শতকরা ১৫ ভাগ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের সহজ ও সরল মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করতে থাকেন। অধিক মুনাফা দেওয়ার কথায় আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ওই প্রতিষ্ঠানে অর্থ আমানত রাখেন। পরবর্তীতে লভ্যাংশের অর্থ না দেওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে সন্দেহের দেখা দেয়।

এরপর তারা আমানত হিসেবে রাখা জামানতের অর্থ ফেরত চাইলে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা কালক্ষেপণ করতে থাকেন। গত রোববার সকাল ১০টার দিকে ১০-১২ জন গ্রাহক কাকনা বাজারে ওই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমানতের টাকা ফেরত চাইলে ওই তিন ব্যক্তি তাদের হুমকি-ধমকি দেন। এরপর তারা র‌্যাবের মানিকগঞ্জ ক্যাম্পে এসে অভিযোগ করেন। এরপর র‌্যাবের মানিকগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল কাকনা বাজারে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ওই তিনজনকে আটক করেন।

এ ঘটনায় উপজেলা বড়হাতকড়া গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক আবদুল মজিদ দৌলতপুর থানায় মামলা করেছেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, আমানতের বাৎসরিক শতকরা ১৫ ভাগ মুনাফা দেওয়ার কথায় তিনি (আবদুল মজিদ) ওই প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা জমা দেন। তবে লভ্যাংশের টাকা না দেওয়ায় তিনি আমানতের টাকা চান। তবে সেই টাকা না দিয়ে উল্টো তাকে হুমকি-ধমকি দেন।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার ওসি মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন, সোমবার দুপুরে ওই তিন আসামিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।