রবিবার, ৩রা জুলাই, ২০২২ ইং, দুপুর ১২:৩৮

বরিশালে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় হামলা, মামলা

স্টাফ রিপোর্টার  বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আনিচুর রহমান দলবল নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় একই এলাকার মৃত হাজী আদম আলী সরদারের ছেলে বরিশালের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হোসাইন আহম্মেদ লিটন সরদার (৪০) আহত হয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে ও এলাকাবাসী জানায়, রাজারচর গ্রামের মৃত আবদুল খালেক সিকদারের ছেলে আনিচুর রহমান সিকদার ওরফে আনিচ এলাকায় মাদকসেবী, মাদক বিক্রেতা ও খারাপ প্রকৃতির লোক হিসাবে পরিচিত। সে প্রতিদিন মদ পান করে মাতাল হয়ে রাস্তাঘাট, দোকানপাটে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে মাতলামী করে। এছাড়া সে তার বাড়ীতে মদ তৈরী করে পান করে মাতলামী করে। এলাকায় মাদক ব্যবসা করে উঠতি বয়সের তরুণ ও যুবকদের বিপথগামী করছে। শুধু তাই নয় মাদক ব্যবসার প্রসার করতে তরুণ ও যুবকদের হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। গত কয়েক বছরের ঢাকার সফল মাদক ব্যবসায়ী, করোণা হানায় গত দুই বছর যাবত বরিশালে অবস্থানরত আনিচ এখন লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছেন।

তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তাদেরকে মামলা দিয়ে, মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। তাই তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। হামলা মামলার শিকার,

ভুক্তভোগী হোসাইন আহম্মেদ লিটন সরদার জানান, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় গত ১৪ মে রাতে আনিচ তার দলবল সাথে নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করে আহত করে। এছাড়াও হত্যার হুমকি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। স্থানীয় সিরাজ খা, আশ্রাফ আলী হাওলাদার, বাদল খা, মোশারেফ খান, মিলন শরীফ ও রেজাউল হাওলাদার আনিচের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, সে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে প্রায়ই বলে আমি ঢাকা থাকতে কয়েকটি মার্ডার করেছি, বরিশালেও আমার কয়েকটা মার্ডার করা লাগবে, মাথা মেজাজ খারাপ আছে। এলাকায় দাপটের সঙ্গে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় হামলা চালিয়ে মারপিট করে লিটনকে আহত করেছে।

এ বিষয়ে আনিচুর রহমান সিকদার ওরফে আনিচের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উল্লেখ্য, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার সামনে আনিচুর রহমান সিকদার ওরফে আনিচের এসকল হুমকি তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ডিজিটাল ডিভাইসে এসব সংরক্ষন (রেকর্ড) করেছেন।