বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:২০
শিরোনাম :
বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ,বিচারপ্রার্থীদের মাঝে আতঙ্ক শেখ হাসিনা ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চায় বাংলাদেশ বরিশাল বোর্ডে ১৫ টি বিদ্যালয়ে শতভাগ পাস, ৫ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাশের হার ৬০.৩৫ শতাংশ ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারাবাজার দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ, আহত ৩ মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বরিশালে রিহ্যাব হেলথ কেয়ার এন্ড নার্সিং হোম এর শুভ উদ্বোধন শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর ঘোষণা বিএম কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের হামলা-সংঘর্ষ, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

বরিশাল ৪ আসনের নৌকার প্রার্থী ড. শাম্মি আহমেদের মনোনয়ন বাতিল

ডেস্ক রিপোর্ট ।। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় বরিশাল ৪ হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক শহদিুল ইসলাম জেলা প্রশাসনে সভা কক্ষে দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষে এই ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুসারে প্রার্থী হতে হলে দ্বৈত নাগরিকত্ব অগ্রহনযোগ্য। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া আরো ১০ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বৈধতা পেয়েছেন ৪৫ প্রার্থী। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন মোট ৫৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।

মনোনয়ন হারানো প্রার্থীরা হলেন, বরিশাল ৪ আসনের বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আসাদুজ্জামানের মনোনয়ন দল থেকে বাতিল করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বরিশাল ১ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী রিয়াজ মোর্শেদ জামান খান হলফনামা দাখিল করেননি এবং দলীয় মনোনয়ন নেই।

বরিশাল ২ আসনের জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) মনোনীত ব্যারিস্টার আলবার্ট বাড়ৈ হলফনামার ৩শ টাকার কোর্ট ফি সংযুক্ত করেননি এবং দলীয় মনোনয়ন ঠিকভাবে পূরণ করেননি। একই আসনের বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী মিরাজ খানের ঋণ খেলাপী থাকায় বাতিল করা হয়।

বরিশাল ৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শামসুল আলমের ঋণ খেলাপী, জাকির হোসেন খানের ঋণ খেলাপী ও ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন সঠিক না পাওয়ায়, শাহরিয়ার মিঞার ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না পাওয়ায়, নূরে আলম সিকদারের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না পাওয়ায় এবং হুমায়ূন কবিরকে তার দল বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনয়ন বাতিল করায় নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে।