শুক্রবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং, রাত ১:২০
শিরোনাম :
দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান রাজধানীতে জুয়ার টাকা না পেয়ে কলেজশিক্ষার্থীর ‘আত্মহত্যা’ ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বাগবিতণ্ডা, হাতাহাতি লেগে যাচ্ছিল আরাঘচি ও উইটকফের কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ মিস্টার হাসনাত আবদুল্লাহ এটা শাহবাগ স্কয়ার নয় : স্পিকার হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিএনপি-জামায়াতকে দমন করা হয়েছে:হাসনাত ইরানে হামলা চালানো হবে না, লেবাননে চলবে: ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী আজ রাতে পুরো একটি সভ্যতা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প চাকরির পরীক্ষাসহ সব পাবলিক পরীক্ষার আইনে পরিবর্তন আসছে : শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন

ফ্যাসিবাদ বন্ধে পিআর পদ্ধতির নির্বাচন উত্তম: চরমোনাই পীর

ডেস্ক রিপোর্ট ।। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর চরমোনাই বলেছেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। এমন নির্বাচন একদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অন্যদিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে দলগুলো ভোটের অনুপাতে সংসদীয় আসন পায়, ফলে কোনো দল এককভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারে না এবং সংসদে ছোট দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা, আপস এবং যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিবেশ তৈরি হয়।

মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সিলেট জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে দরগাহ গেটে সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ সুলেমান হলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, পিআর পদ্ধতি হলো সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, যার ফলে একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতা প্রতিহত করা সম্ভব হবে। এ পদ্ধতির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ সম্ভব হয়। কারণ এতে বড় দলগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য কমে আসে এবং ছোট দলগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ে। রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে অধিকতর ও জবাবদিহিমূলক করতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতির পথে আমাদের চলতে হবে। এটাই সর্বোত্তম পদ্ধতি।

তিনি বলেন, মুসলমানদের অনৈক্যের কারণে বর্তমান মুসলিম বিশ্ব আজ দিশেহারা। বাংলাদেশের মুসলমান একটি বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে বাস করছে। সমাজে-রাষ্ট্রে সব জায়গায় ইসলাম ও ইসলাম প্রিয় জনগণকে কোণঠাসা করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, ওলামায়ে কেরামের দায়িত্ব অনেক তা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পালন করে তাহলে জালিম শক্তি আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। অতীতে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হয়ে জালিমের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করেছেন। আমাদের ছোটখাটো পার্থক্য যেন বিভেদের কারণ না হয়, তাহলে মুসলিম সমাজ আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা রেদওয়ানুল হক চৌধুরী রাজুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- পীর সাহেব বরাইগ্রামী শায়খ মাওলানা নুরুল ইসলাম, জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুফতি রেজাউল করিম আবরার, জামেয়া গলমুকাপন মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস শায়খ মাওলানা রুহুল আমিন, জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সিলেট বিভাগীয় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি মাঈনুদ্দীন খান তানভীর, জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সিলেট মহানগরের সভাপতি আসআদ উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা গাজী রহমতুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি সাইদ আহমদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, শিক্ষা সচিব মাওলানা মাশুক আহমদ সালামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুতাছিম বিল্লাহ জালালী প্রমুখ।