মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৩৩
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দুমকীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য জলিল গ্রেপ্তার

মো: রাকিবুল হাসান,দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ।। পটুয়াখালীর দুমকীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. জলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টায় উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

আটক জলিলুর রহমান শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে সারাদেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুমকীতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। ওই কর্মসূচির সময় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হন।

অতঃপর,২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের (জুলাই বিপ্লব) ঘটনার পর ওই বছরের ৭ নভেম্বর মুরাদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও সাবেক উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষকদল (যুগ্ন আহ্বায়ক) নেতা মো. মোর্তজা বিল্লাহ বাদী হয়ে দুমকী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় জলিলুর রহমানকে অন্যতম অভিযুক্ত করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি “জাকির হোসেন” ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “দায়েরকৃত মামলার আলোকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে পাঠানো হবে।”

এদিকে জলিলুর রহমানের গ্রেপ্তারকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ একে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার কৌশল বললেও, পুলিশ বলছে এটি পুরোপুরি মামলার ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিক একটি পদক্ষেপ।