মঙ্গলবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ১২:২৮
শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন

সংসদ নির্বাচনের পর পদত্যাগ করতে চান রাষ্ট্রপতি: রয়টার্স

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে পদত্যাগ করার পরিকল্পনা করছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে তিনি ‘অপমানিত বোধ’ করছেন।

রয়টার্স বলছে, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, তবে ভূমিকাটি মূলত আনুষ্ঠানিক। নির্বাহী ক্ষমতা ১৭ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার মুসলিম-প্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের ফলে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এর ফলে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে অবশিষ্ট থাকে যান।

৭৫ বছর বয়সী সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে হাসিনার আওয়ামী লীগ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি চলে যেতে আগ্রহী। আমি বাইরে যেতে আগ্রহী।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করা উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি পদের কারণে আমি আমার অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখছি।’

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ড. ইউনূস প্রায় সাত মাস ধরে তার সঙ্গে দেখা করেননি এবং বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলো থেকে তার প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি ‘অপমানিত বোধ’ করছেন।