সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:০১
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

রাইড শেয়ারিং বাইকে দিনে ৫ লিটার তেল দেওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। রাইড শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেলগুলোর জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিপিসি এই নির্দেশনা প্রদান করে। মূলত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের মধ্যে বিরাজমান আতঙ্ক দূর করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার সাধারণ মোটরসাইকেলের জন্য তেলের সীমা ২ লিটার নির্ধারণ করা হলেও রাইড শেয়ারিং চালকদের পেশাগত দিক বিবেচনা করে চার দিন পর এই বিশেষ কোটা বৃদ্ধি করা হলো।

বিপিসি কর্তৃক জারি করা এই নতুন নির্দেশনায় তেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের ব্যক্তিগত তথ্য সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং অ্যাপের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করতে হবে।

এ ছাড়া জ্বালানি ক্রয়ের সময় ফিলিং স্টেশন থেকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্যের রসিদ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পুনরায় তেল নিতে হলে পূর্ববর্তী তেলের রসিদের মূল কপি ফিলিং স্টেশনে জমা দিতে হবে, অন্যথায় তেল সরবরাহ করা হবে না।

জ্বালানি আমদানির বিষয়ে বিপিসি আশ্বস্ত করেছে, নির্ধারিত সূচি মেনেই বিদেশ থেকে তেল দেশে আনা হচ্ছে। বর্তমানে প্রধান স্থাপনাগুলো থেকে সারা দেশের বিভিন্ন ডিপোতে রেলওয়ে ওয়াগন এবং ট্যাংকারের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে তেল পাঠানো হচ্ছে।

এর আগে গত শুক্রবার ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি বিক্রির যে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেখানে ব্যক্তিগত প্রাইভেট কারের জন্য ১০ লিটার এবং এসইউভি বা মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রেও ৭০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত আলাদা সীমা নির্ধারিত রয়েছে।

রাজধানীর শাহবাগসহ বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে গত কয়েক দিন ধরে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক স্টেশনে তেলের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়ায় চালকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। বিশেষ করে রাইড শেয়ারিং চালকদের আয়ের প্রধান উৎস এই বাহন হওয়ায় তাদের জন্য জ্বালানির সীমা বাড়ানোর দাবি উঠেছিল।

বিপিসি বলছে, অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করলে প্রকৃত পেশাদার চালকরাই এই বর্ধিত সুবিধার আওতায় আসবেন। সরকার আশা করছে, এই সমন্বিত ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমবে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে না।