মঙ্গলবার, ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:২৬
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে বাস উল্টে নারী-শিশুসহ আহত ৮ ডা. অমিতাভের কাছে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সহ হাজারো রোগী জিম্মি, মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর নির্দেশ কোলের সন্তান বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

কনডেম সেল থেকে বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন মিন্নি

ডেক্সরিপোর্ট  বরগুনা কারাগারের কনডেম সেল থেকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সাথে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মোবাইল ফেনে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, রায়ের সাত দিনের মধ্যে উচ্চাদালতে আপিল করতে হবে এ বিষয় নিয়েই মিন্নির সাথে কথা হয়েছে।

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিকে বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেম সেলে এই ছয় বন্দি ব্যতীত অন্য কোনো ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি নেই বলে জানিয়েছেন বরগুনা জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বরগুনার কারাগারে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত নারী বন্দিদের মধ্যে একমাত্র মিন্নিই কনডেম সেলে আছেন। এছাড়াও রিফাত হত্যা মামলার অপর পাঁচজন পুরুষ আসামিকেও কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। এই পাঁচ পুরুষ বন্দি ব্যতীত বরগুনার কারাগারের কনডেম সেলে আর ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য কোনো পুরুষ বন্দিও নেই বলে উল্লেখ করেন জেল সুপার।

তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিদের কারাগারের যে বিশেষ কক্ষে রাখা হয় সেটাকে কনডেম সেল বলা হয়। কনডেম সেলের বন্দিরা কখনো সেল থেকে বাইরে বের হতে পারেন না। এসব বন্দিরা মাসে একবার তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। এছাড়াও সপ্তাহে একবার তারা ফোনে তাদের স্বজনদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কথা বলতে পারেন।

রিফাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিই কনডেম সেলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কারাবিধি অনুযায়ী ছয় বন্দিকেই কনডেম সেলে থালা, বাটি ও কম্বল দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতি আসামিকে কারাগারের পক্ষ থেকে দুই সেট পোশাক দেয়া হয়েছে। এ পোশাক তারা পরিধান করবেন।

মিন্নিসহ এই মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিকে দেশের অন্য কোনো কারাগারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে জেল সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আপাতত এই আসামিদের উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।