বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৩৮
শিরোনাম :
বিএনপি-যুবলীগ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০ জোরপূর্বক সালিসের চেষ্টা:কাউনিয়া থানার ওসির নামে অভিযোগ দায়ের আগামী বাজেটে করের আওতায় আসছে মোটরসাইকেল বাংলাদেশের উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা,গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ইসরায়েলের আয়রন ডোম ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল ভূপাতিত করেছে আমিরাত বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি

বিএনপি-যুবলীগ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

ডেস্ক রিপোর্ট ।। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে রাজনৈতিক আধিপত্য ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা আব্দুল মুহিত ও বিএনপি নেতা শাহাদীব (মেম্বার)-এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলিনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত রতন মিয়া বিএনপি নেতা শাহাদীব মেম্বারের সমর্থক বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য শাহাদীব মেম্বার এবং আলিনগর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে সংঘটিত আরেকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে ভাটিপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহাদীব মেম্বারকে প্রতিপক্ষের লোকজন আটকিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

আহতদের মধ্যে আব্দুল মুহিত পক্ষের অন্তত ২০ জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া শাহাদীব মেম্বারের পক্ষের আহত ১০ জন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। গুরুতর আহত আল আমিন (২৬) ও সোনাই মিয়া (৭৫)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে জানতে দুই অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ দেখায়।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।