রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:১৪
শিরোনাম :
সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

দুদকের মামলায় বিসিসির সাবেক মেয়র কামালসহ ৫ জনের কারাদন্ড

শামীম আহমেদ,  দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামালসহ পাঁচজনকে সাত বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

পাশাপাশি এক নম্বর আসামি সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল ও পাঁচ নম্বর আসামি বরিশাল নগরীর কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা জাকির হোসেনকে কোটি টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। সোমবার বিকালে বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত অন্যান্যরা হলেন-সাবেক বরিশাল পৌরসভার (বর্তমান বরিশাল সিটি করপোরেশন) নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমান অবসরপ্রাপ্ত) মোঃ ইসহাক, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমান ঢাকা নগর ভবনের স্থানীয় সরকার বিভাগের আরবান পাবলিক অ্যান্ড এনভয়েরমেস্টাল হেলথ সেক্টর ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সাবেক বরিশাল পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস ছাত্তার ও বরিশাল নগরীর কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা জাকির হোসেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, দন্ডপ্রাপ্তরা ১৯৯৫ সালের ২১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের ৩ জুন তারিখের মধ্যে তৎকালীন পৌরসভা এলাকায় টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা মেরামত দেখিয়ে টেলিফোন শিল্প সংস্থার জাল প্যাড প্রস্তুত পূর্বক ভূয়া দরপত্র সৃষ্টি করে এবং ভূয়া ঠিকাদার নিয়োগ করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যেমে বরিশাল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এ চলতি হিসাব খোলেন।

উক্ত হিসাবে টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত চারটি চেকের মাধ্যমে মোট ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭১ টাকার রাস্তারর মেরামত কাজ দেখায় এবং পরস্পর একে অপরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ৬৩৯ টাকা আত্মসাত করে। যে ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল বাছেত ২০০২ সালের ১১ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালকসহ পরিচালক এমএইচ রহমতউল্লাহ আদালতের চার্জশীট দাখিল করেন। আদালতের বিচারক ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহন শেষে উল্লেখিত রায় ঘোষনা করেন।