সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:০৯
শিরোনাম :
শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩ রোগী প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ডাক পেলেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদল নেতা তানজিল

৯৭ বছরেও রোগী দেখছেন হিটলারের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া চিকিৎসক

অনলাইন ডেস্ক  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যাওয়া হাঙ্গেরির চিকিৎসক ইস্টভান কোরমেনডি ৯৭ বছর বয়সেও রোগীদের সেবা করে যাচ্ছেন।

১৯২৩ সালে হাঙ্গেরির রাজধানীতে জন্মগ্রহণ করেন ইস্টভান কোরমেনডি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫০ সাল থেকেই চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। খবর এএফপির।

১৯৮৯ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পেশা থেকে অবসর নেন। এরপর রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইস্টভান। সেই থেকেই রোগী দেখে যাচ্ছেন এই চিকিৎসক।

বয়স ১০০ বছরের কাছাকাছি হলেও চিকিৎসক হিসেবে অবসর নেওয়ার কোনো ভাবনা নেই ইস্টভানের। তিনি বলেন, এটি আমার আবেগের জায়গা। আমি যতদিন শারীরিকভাবে সুস্থ আছি, ততদিন আমার রোগীদের সুস্থ করে যেতে চাই।’

ইস্টভান কোরমেনডি বলেন, আমার বাবা চিকিৎসক ছিলেন। ১৯২০ সালে তিনি এ পেশায় এসেছিলেন। আমি এখানেই জন্ম নিয়েছি এবং বেড়ে উঠেছি। আগে এ দেশের জনগণের জন্য এত বেশিসংখ্যক ক্লিনিক ছিল না, যা এখন আছে। সব চিকিৎসকই নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন এখন।’

ইস্টভান কোরমেনডির বাবা চিকিৎসক হিসেবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময়কার একটি ছবি এখনও তার বাড়িতে শোভা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাবার কারণেই চিকিৎসা পেশা গ্রহণে তিনি উৎসাহী হয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তিনি।

পরে নিজের পরিচয় লুকিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান। একই সঙ্গে সেই সময় নাৎসি বাহিনীর কবল থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখাটাও ছিল এক কঠিন কাজ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে চিকিৎসাসেবায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন ইস্টভান, তা এখনও চলছে। করোনা মহামারিও তাকে থামাতে পারেনি। বর্তমানে তার রোগীর তালিকায় আছে স্থানীয় ৩০০ জন।