ডেস্ক রিপোর্ট বরিশাল বিমানবন্দরে বিমানে বিদেশী মদ পাচারকালে এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত মাহামুদুল হাসানকে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জরিত থাকা সন্দেহে বরিশাল বিমানবন্দরের দুই নিরাপত্তাকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বরিশাল বিমানবন্দরে মাহামুদুল হাসান নামে এক যাত্রী আসেন। তিনি একটি বেসরকারী বিমানে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন। বন্দরের গেটে আর্চওয়ে মেশিন থেকে যাওয়র সময় গেটে আর্চওয়ে দায়িত্বে থাকা সিভিল এভিয়েশনের মোঃ কাদের ও মোঃ সহিদ স্ক্যান করে মদ ধরা পরার পরেও মাহামুদুলকে ছেড়ে দেন। বিষয়টি আনসার কমান্ডার জসিমের কাছে সন্দেহ মনে হলে তিনি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসআই জাহিদকে অবহিত করেন। এবং মাহামুদুল হাসানকে আবার তল্লাশি করেন। এসময় তার কাছ থেকে এক বোতল বিদেশী মদ (ভতকা) উদ্ধার হয়।
আটক মাহামুদুল হাসান নাটোরের ফুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি বরিশাল পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্রে ডকুমেন্ট কন্ট্রোলার পদে চাকুরী করে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের আনসার কমান্ডার জসিম উদ্দিন জানান, মদ বহনকারী মাহামুদুল হাসানকে যখন গেটে চেক করে কিছু সময় কথা বলে ছেড়ে দেয় তখনই আমার সন্দেহ হয়।
আমি সাথে সাথে এসআই জাহিদকে জানাই। পরে তিনি আর আমি মাহামুদুল হাসানকে আবার তল্লাশি করে মদ উদ্ধার করি। এ বিষয়ে এস আই জহিদ জানান, আনসার কমান্ডার জসিম উদ্দিন আমাকে বিষয়টি বলার সাথে সাথে আমি ওই যাত্রীকে তল্লাশি করে মদ উদ্ধার করি।
এ বিষয়ে বরিশাল বিমানবন্দরের ম্যানেজার আব্দুল রহিম তালুকদার বলেন, মাহামুদুল হাসান নামে এক যাত্রীর বিমানে অবৈধ মদ পাচারকালে আনসার কমান্ডার জসিম উদ্দিন ও এসআই জাহিদ তাকে আটক করে। পরে আমরা তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তার করি।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমোলেস চন্দ্র হালদার জানান, এ বিষয়ে যাছাই বাছাই করার পরে মামলা হবে।’