মোস্তাফিজার রহমান (জাহাঙ্গীর)ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি ৬টি ঋতু নিয়ে আমাদের বাংলাদেশ।এখন কিন্তু ঋতু গুলোকে বোঝা বড় দায়।
কবিগুরুর কবিতার কথায় বাদলের অঝোর ধারা আর আউশের ক্ষেত জলে ভরা থাকার কথা থাকলেও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর বর্তমান চিত্র ভিন্ন। গত কয়দিনের অনাবৃষ্টিতে ফেটে গেছে আউশের ক্ষেত। আষাঢ় মাসের প্রকৃতিকে নিয়ে লেখা কবিগুরুর কবিতার কথা গুলো যেন মিথ্যে হয়ে গেছে। ভরা বর্ষা মৌসুমেও মিলছে না বৃস্টির দেখা। আর তাই নিরুপায় কৃষক চলতি আমন মৌসুমে চারা রোপণ ও আউশ ধানক্ষেত রক্ষায় বৈদ্যুতিক সেচ পাম্প ও ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছেন।
প্রকৃতির খেয়ালিপনায় গা ভাসিয়ে না দিয়ে প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারও কৃষক। বৃষ্টি নেই তারউপর প্রখর রোদের তীব্রতা। তবুও সব কিছু উপেক্ষা করে কেউ আউশ ক্ষেত পরিচর্যায় কেউবা আমন চারা রোপণ কাজে ব্যস্ত।
সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৈদ্যুতিক সেচ পাম্প ও ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছেন কৃষকরা। এসময় কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা জানান, গত কয়দিন হতে বৃষ্টির দেখা নেই এদিকে আমনের চারা রোপণের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। তাই সঠিক বয়েসের চারা রোপণের লক্ষে জমিতে সেচ দিয়ে চারা রোপণ করছি। আবার অনেকেই খড়ার কবল থেকে আউশধান রক্ষায় ক্ষেতে সম্পূরক সেচ দিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশীদ জানান, উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ১১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদের লক্ষ অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই উপজেলার ছয় ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আমন চারা রোপণ করা হয়েছে। অনাবৃষ্টির কারণে সম্পূরক সেচ দিয়ে দ্রুত সময়ে সঠিক বয়সের আমন চারা রোপণ করার জন্য কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।