রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪০
শিরোনাম :
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা আনসার মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপার রিয়াদ হোসেন পতিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ বরিশালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১০ টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই

কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে গরু ও মহিষ কোরবানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পশু জবাই সংক্রান্ত সরকারি বিধিনিষেধ ও ধর্মীয় নেতাদের আহ্বানের পর রাজ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে খামারি ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নতুন নিয়মের কারণে কোরবানির প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে এবং প্রশাসনিক হয়রানির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর ফলে বাজারে গরু কেনাবেচা কমে গেছে।

গত ১৩ মে জারি করা পশু জবাই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দেশনা অনুযায়ী, জবাইয়ের উপযুক্ত সনদ ছাড়া পশু জবাই করা যাবে না, প্রকাশ্যে জবাই নিষিদ্ধ থাকবে এবং প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া গবাদি পশু জবাই করা যাবে না।

এদিকে কলকাতার নাখোদা মসজিদের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ শফিক কাসমি বলেন, অবকাঠামোগত ঘাটতির কারণে নতুন নিয়ম কোরবানির বাস্তবায়নকে কঠিন করে তুলেছে। তিনি প্রতিটি এলাকায় কসাইখানা ও পশুচিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা তোহা সিদ্দিকীও এ বছর গরু কোরবানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নতুন বিধিনিষেধে কোরবানির প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে, তাই বিতর্ক এড়াতে ছাগলসহ বিকল্প পশু কোরবানির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, এই বিধিনিষেধ ধর্মীয় রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল। তাদের দাবি, কোরবানি ইসলামী রীতির অংশ এবং এতে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করা উচিত নয়।

খামারি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে পশু বিক্রি না হওয়ায় তারা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পশুপালন খাত, হাটভিত্তিক ব্যবসা, কসাই কার্যক্রম এবং চামড়া শিল্পও প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।