বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ৮:৩৫
শিরোনাম :
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশাল নগরীতে তিন কন্যার জননী, স্বামীহারা অসহায় নারী রিকশাচালক হেলেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা। জীবিকার তাগিদে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে ছুটে চলা এই নারীর কষ্টের কথা জানতে পেরে তাঁকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজের কার্যালয়ের কক্ষে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। সেখানে তাঁর হাতে একটি রেইনকোট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও কিছু শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয়।

তিন কন্যাকে নিয়ে হেলেনা বেগমের জীবন চলে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। স্বামীহারা এই নারী সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য অন্যের কাছে হাত না পেতে রিকশা চালিয়ে উপার্জন করছেন তিনি। বৃষ্টি-রোদ উপেক্ষা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে ছুটতে হয় তাঁকে।

এমন বাস্তবতায় একটি রেইনকোট তাঁর জন্য শুধু একটি উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার কিছুটা নিরাপত্তা। একইভাবে একটি মোবাইল ফোন ও শুকনো খাবারও তাঁর দৈনন্দিন জীবনে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের অন্যদেরও সহমর্মী হতে উৎসাহিত করবে।

হেলেনা বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাঁদের জীবনসংগ্রাম কিছুটা সহজ হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।