সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:০৪
শিরোনাম :
দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন! বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ,বিচারপ্রার্থীদের মাঝে আতঙ্ক শেখ হাসিনা ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চায় বাংলাদেশ বরিশাল বোর্ডে ১৫ টি বিদ্যালয়ে শতভাগ পাস, ৫ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল

ঝালকাঠিতে বৌভাতের খাবার খেয়ে দুই শতাধিক অসুস্থ

ডেক্সরিপোর্ট  ঝালকাঠির নলছিটিতে বিয়ের অনুষ্ঠানের খাবার খেয়ে দুই শতাধিক লোক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার প্রতাপ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাদের ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খাবারে বিষক্রিয়ার কারণে অসুস্থরা বেশিরভাগ ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

অসুস্থদের স্বজনরা জানান, রোববার দুপুরে প্রতাপ গ্রামে ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ২৫০ জন। দুপুরে খাবার খেয়ে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিকাল থেকে তারা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। প্রত্যেকেরই বমি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছিল। অনেকে বমি করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন।

খাবার খেয়ে অসুস্থ রিমির মা খাদিজা বেগম বলেন, দুপুরে আমার স্বামী ও মেয়ে বিয়ে বাড়িতে খাবার খায়। পরে বাসায় গিয়ে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত বমি ও পেটে ব্যথা করলে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে এসে দেখি দুই শতাধিক মানুষের একই সমস্যা হয়েছে।

বরের বোন সারমিন আক্তার বলেন, আমার পরিবারের সবাই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছে। খাবার রান্নায় কোনো সমস্যা হওয়ায় সবারই এই অবস্থা হয়েছে। তবে বর আমার ভাই নজরুল ও তার স্ত্রী খাবার না খাওয়ায় সুস্থ আছেন।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সিয়াম আহসান বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে কমপক্ষে ৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বেশ কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকের অবস্থা গুরুতর। তাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।