মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫২
শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেক্সরিপোর্ট  আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মাজেদের দণ্ডাদেশ কার্যকরের প্রত্যাশা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ডাদেশ কার্যকরের অপেক্ষায় ছিলাম। তাদেরই একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত থেকে হাজতবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সেখানে পাঠানো হচ্ছে।

১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে মাজেদ, নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিনসহ কয়েকজনের সেখানে অবস্থান ছিল। আব্দুল মাজেদ শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনে অংশগ্রহণ করেননি, তিনি জেলহত্যায়ও অংশ নিয়েছিলেন বলে আমাদের জানা রয়েছে। খুনের পরে তিনি জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক বঙ্গভবনসহ অন্য জায়গায় কাজ করেন।

‘আমরা আশা করি, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার দণ্ডাদেশ কার্যকর করতে পারবো। তাকে গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় যারা সম্পৃক্ত ছিলেন, সবাইকে ধন্যবাদ। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে মুজিববর্ষের একটি শ্রেষ্ঠ উপহার দেশবাসীকে দিতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, তৎকালীন জিয়াউর রহমান সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের বদলে নানাভাবে পুরস্কৃত করেছে। ইনডেমনিটি বিলের মাধ্যমে তাদের যাতে বিচার না হয়, সে ব্যবস্থাটি পাকাপোক্ত করেছেন। এই খুনিকে আমরা দেখেছি, সেই সরকারের আশীর্বাদে বিভিন্ন দূতাবাসে এবং দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় চাকরিরত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই তিনি আত্মগোপন করেন।

প্রতিশ্রতি অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর সব খুনিকে দেশে ফিরে আনার জন্য সর্বপ্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।