রবিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৩১
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

বজ্রপাতে মৃত্যু বাড়ছেই,সাড়ে চার মাসে ‘৮১ জনের’ মৃত্যু

ডেক্সরিপোর্ট  দেশে বজ্রপাত শুরুর সময় ধরা হয় এপ্রিল মাস। জুন পর্যন্ত আকাশে ঘন কালো মেঘ থাকে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত থাকলেও শুরুর তিন মাসকে ‘পিকটাইম’ গণ্য করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার বছরের প্রথম সাড়ে চার মাসে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে বজ্রপাতে অন্তত ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান পরিস্থিতিতে এ বছর বজ্রপাতে কম মৃত্যুর আশঙ্কা করেছিলেন সংশ্নিষ্টরা। কিন্তু প্রথম মাসেই অনেক মৃত্যুর ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে তাদের। নিহতদের অধিকাংশই পুরুষ। এর মধ্যে অন্তত ২৫ জন কৃষক।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর মহাপরিচালক মো. মোহসীন বলেন, জানুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত অন্তত ৮১ জন বজ্রপাতে মারা গেছেন। বজ্রপাতের ক্ষতি এড়াতে বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা সেন্সরের মাধ্যমে চিহ্নিত করে জনগণকে কীভাবে দ্রুত জানানো যাবে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, তালগাছ যেগুলো লাগানো হয়েছে, সেগুলো বড় হতে অনেক সময় লাগবে। অন্তর্বর্তী এই সময়ে বজ্রপাত থেকে রক্ষায় ৭২৩টি স্থানে লাইটনিং অ্যারেস্টার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বজ্রপাত নিয়ে জনসচেতনা তৈরিতে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডার অ্যাওয়ারনেস ফোরামের গবেষণা সেলের নির্বাহী প্রধান আব্দুল আলীম বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর ব্যবহার করে ১৫-২০ মিনিট আগে বজ্রপাত প্রবণতা এলাকার জনগণকে এসএমএস এর মাধ্যমে সতর্ক করতে পারলে ক্ষতি এড়ানো যাবে। লাইটনিং অ্যারেস্টারের মতো সফল উদ্যোগ নেওয়া গেলে বজ্রপাত প্রবণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হতো।”

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঝড় ও বজ্র বৃষ্টি হয় এপ্রিল ও মে মাসে। এ সময় ৬১ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঝড়ের সংখ্যা বেশি।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ৮টি অঞ্চলে স্থানে বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র (ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, পঞ্চগড়, নওগাঁ, খুলনা পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামে লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর) রয়েছে।

“আমরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ও প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে থাকি। তা জনগণের কাছে পৌঁছাতে ও প্রচারণায় ব্যপক উদ্যোগও থাকতে হবে।”