অনলাইন ডেস্ক আম্ফানের তাণ্ডবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এছাড়া, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৭ জন ও হাওড়ায় ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্থানীয় সময় বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী এ তথ্য দিয়েছেন জানিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আম্পানের কারণে ৭২ জনকে আমরা হারিয়েছি। এছাড়া হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও গাছপালা ধ্বংস হয়ে গেছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। নিম্নাঞ্চলে বন্যা লেগে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ ত্রাণ তৎপরতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংকটের মধ্যেও।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সব হিসেব উল্টে গিয়েছে। কারও ভবিষ্যদ্বাণী মিলল না। পুরোটা বাংলার উপর দিয়ে গেল। করোনার জন্য অর্থনীতির অবস্থা শেষ। তারপর এই দুর্যোগ। কোনও রোজগার নেই। পুনর্গঠন করতে অনেক টাকা লাগবে।’
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে যারা মারা গেছেন, তাদের পরিবারের জন্য আমি আড়াই লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।
এদিকে গতকাল কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০৫ কিলোমিটার। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে গেছে ট্রাফিক সিগন্যাল। কলকাতার অন্তত ১৮টি জায়গায় গাছ পড়ে গেছে। দিঘা, রামনগর, মন্দারমনি, কাঁথি, হলদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ছোট বড় গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। মন্দারমনিতে কয়েকটি হোটেলে জল ঢুকে গেছে।