মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:৪১
শিরোনাম :
অপপ্রচারের শিকার বরিশালের আইনজীবী জাকির, পাওয়া গেল ভিন্ন তথ্য মাথা কেটে আলাদা করার সময়ও বেঁচে ছিল শিশু রামিসা! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প গৌরনদীতে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নারী শিশু সহ আহত ৫ কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল জুলাই সনদ না মেনে জন আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নেয়ায় সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে : মিয়া গোলাম পরওয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুঃ বেলভিউ কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহণ চালালে লাইসেন্স বাতিল

বাংলাদেশে ইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন ওষুধে ‘বাড়ছে করোনায় সুস্থের হার’

অনলাইন ডেস্ক  বাংলাদেশে ইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন ওষুধ ব্যবহারে করোনা থেকে মুক্তির হার বেড়েছে কয়েক গুণ। রাজধানীর কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে দেড় হাজার আক্রান্ত রোগীর ওপর এই ওষুধ ব্যবহার করে এমন দাবি করছেন চিকিৎসকরা।

তবে বিশেষজ্ঞরা এর ব্যবহারকে স্বাগত জানালেও গুরুত্ব দিচ্ছেন গবেষণায়। স্বাস্থ্য বিভাগও বলছে, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন তারা।

করোনায় ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পুলিশ। সংখ্যাটা দুই হাজারের বেশি। প্রথমদিকে প্রতিদিন গড়ে বিশ থেকে ত্রিশজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে গত চার পাঁচদিনে সেই সংখ্যা প্রতিদিন প্রায় এক’শ।

হাসাপাতালের চিকিৎসকদের দাবি, ইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহারের ফলেই বাড়ছে সেরে ওঠা রোগীর সংখ্যা।

রোগী শনাক্তের প্রথম দিনেই দেয়া হচ্ছে দুটি ইভারমেকটিন আর ডক্সিসাইক্লিন দেয়া হচ্ছে সাত দিনে সাতটি। তাতেই মিলছে সুফল।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক পুলিশ সুপার মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা লক্ষ করছি কয়েকদিন ধরে রোগী সেরে উঠছে প্রতিদিন প্রায় ১০০ করে। দুটি ইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ১০০ মিলিগ্রাম এই ওষুধে সুফল মিলছে।’

এমন জরুরি সময়ে এসব ওষুধ ব্যবহারে নিষেধ নেই বিশেষজ্ঞদের। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিস্তর গবেষণার তাগিদ তাদের।

বাংলাদেশ ফার্মাকোলজিক্যাল সোসাইটি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘এ ওষুধ দিয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে এ ধরনের প্রচারণা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। তাই গবেষণা করা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা প্রয়োজন।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলছেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে কাজ করছেন তারা।

প্রায় দেড়মাস বেশ কয়েকজন রোগীর ওপর গবেষণা শেষে দেশে এই ওষুধ দুটি ব্যবহারের সুফল তুলে ধরেন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম।