শনিবার, ১৫ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১:১৩
শিরোনাম :
মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানো সেই ফেনীর ইমাম নৈশভোজে ট্রাম্পের খাবারের মেনুতে ছিল গরুর পাঁজরের মাংসসহ বেইজিং হাঁসের রোস্ট রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘাত-রক্তপাত সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি,নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে প্রতারণা, বিএনপি ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্পকে লাল গালিচায় রাজকীয় অভ্যর্থনা দিল চীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া দায়িত্বশীল নেতৃত্বে কাউনিয়া থানায় ইতিবাচক পরিবর্তন, ওসি সনজিতের ভুমিকা প্রশংসিত!

২৪ ঘণ্টায় ভোলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত ৩৪৫ জন

ভোলা প্রতিনিধি  ভোলায় আবারো ডায়রিয়ার প্রাদূর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরো ৩৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫২ জন।

এছাড়াও দৌলতখানে ৩১ জন, বোরহানউদ্দিনে ৬২ জন, লালমোহনে ৩১ জন, চরফ্যাশনে ৬০ জন, তজুমদ্দিনে ১৮ জন ও মনপুরা হাসপাতালে ১৮ জন ভর্তি হয়েছেন।

সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল পর্যন্ত ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশী ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভোলা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড সংকট থাকায় মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অধিকাংশ রোগীর। হঠাৎ করেই ডায়রিয়া রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় তাদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক-নার্সরা। আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি রয়েছেন।
আবহাওয়ার পরিবর্তন ও গরমের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভোলার সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলাম।

তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীদের চাপ। আমাদের ডাক্তার ও নার্সরা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

ভোলা সদর হাসপাতালে সূত্রে জানা যায়, ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের চাপ। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০০ জনের বেশি জায়রিয়া রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এদের মধ্যে নারী, শিশু সংখ্যাই বেশি। শয্যা কম থাকায় রোগীদের মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর স্বজনরা জানান, ডায়রিয়ার প্রকোপ অনেক বেড়ে গেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্করাও ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালে বেড না থাকায় মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্সরা জানান, ভোলা হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ৯০ থেকে ১০০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে, তারপরেও আমরা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।