সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৪৯
শিরোনাম :
বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত

ঈদের পরও অব্যাহত থাকবে চলমান লকডাউন

ডেস্ক রিপোর্ট  দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকায় চলমান লকডাউন ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ ঈদের পর আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।তবে সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ঈদের পরও চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকবে এ বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে আর এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর।কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। সংক্রমণ এড়াতে এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরলেই নিরাপদ, আর না পরলে বিপদ- এই কথাটি মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনা সংক্রমণ ও করোনায় মৃত্যুহার কিছুটা নিম্নগামী হলেও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছে সরকার। এ কারণেই চলমান ‘লকডাউন’ঈদের পরও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নাম না প্রকাশে কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে আরও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

তারা আরও জানিয়েছেন, যেভাবে মাখামাখি করে স্বাস্থ্যবিধির চূড়ান্ত লঙ্ঘন করে মানুষজন রাজধানী ছেড়েছেন, তারা আবারও ঈদের পর একইভাবে রাজধানীতে ফিরবেন। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারন রতে পারে। তাই ঈদের পরে একই শর্তে আরও ১০ দিনের জন্য চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। যারা রাজধানী ছেড়ে গ্রামে গেছেন, এতে যদি তাদের অর্ধেক পরিমাণ মানুষও আটকে রাখা যায় তাহলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাওয়া যাবে।