শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:১৯
শিরোনাম :
বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা আনসার মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপার রিয়াদ হোসেন পতিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ বরিশালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১০ টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় ফের অপ-প্রচারের শিকার বরিশাল বিআরটিসির ম্যানেজার জুলফিকার! সেবা ও নিরাপত্তায় সজাগ বরিশাল ল্যাবএইড, চুরির সময় আটক নারীকে পুলিশে সোপর্দ এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি পেল এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী বরিশাল সিটি নির্বাচনে এনসিপির একক প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! বরিশাল আদালত চত্বরের ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

ঈদের পরও অব্যাহত থাকবে চলমান লকডাউন

ডেস্ক রিপোর্ট  দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকায় চলমান লকডাউন ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ ঈদের পর আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।তবে সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ঈদের পরও চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকবে এ বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে আর এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর।কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। সংক্রমণ এড়াতে এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরলেই নিরাপদ, আর না পরলে বিপদ- এই কথাটি মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনা সংক্রমণ ও করোনায় মৃত্যুহার কিছুটা নিম্নগামী হলেও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছে সরকার। এ কারণেই চলমান ‘লকডাউন’ঈদের পরও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নাম না প্রকাশে কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে আরও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

তারা আরও জানিয়েছেন, যেভাবে মাখামাখি করে স্বাস্থ্যবিধির চূড়ান্ত লঙ্ঘন করে মানুষজন রাজধানী ছেড়েছেন, তারা আবারও ঈদের পর একইভাবে রাজধানীতে ফিরবেন। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারন রতে পারে। তাই ঈদের পরে একই শর্তে আরও ১০ দিনের জন্য চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। যারা রাজধানী ছেড়ে গ্রামে গেছেন, এতে যদি তাদের অর্ধেক পরিমাণ মানুষও আটকে রাখা যায় তাহলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাওয়া যাবে।