সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ৯:২০
শিরোনাম :
বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত

স্ত্রী হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে বাবুল আকতার

ডেস্ক রিপোর্ট  স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আকতারের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে আদালতে এনে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহান এ আদেশ দেন।

এর আগে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা হয়। মামলায় আসামি করা হয়েছে আরও ৭ জনকে। মামলার বাদী হয়েছেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন।

মামলার পর মোশারফ হোসেন বলেন, মামলায় বাবুল আক্তারসহ ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম মুছা, কালু, ওয়াসিম, শাহজাহান, আনোয়ার, এহতেসামুল হক ভোলা ও সাকি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এক এনজিওকর্মীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বাবুলের। বিষয়টি জেনে গিয়েছিলেন মিতু। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জেরে মিতুকে খুন করা হয়।

এদিকে, মিতু হত্যার ঘটনায় বাবুল আকতারের দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছে চট্টগ্রাম পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর বাবুল আকতারকে চাকরিচ্যুত করা হয়।