সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৪২
শিরোনাম :
চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩ রোগী

মধ্যপ্রদেশের নদীতেও ভেসে আসছে লাশ

অনলাইন ডেস্ক  করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারতে একের পর এক করুণ ছবি উঠে আসছে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের পর এবার মধ্যপ্রদেশেও নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

জানা যায়, মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলার রুঞ্জ নদীতে কমপক্ষে ৬টি মৃতদেহ ভেসে এসেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। সেখানে পচাগলা দেহগুলো জমা হচ্ছে নদীর পাড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, ভেসে আসা এসব মরদেহ করোনা আক্রান্তদের দেহ। শ্মশানে পোড়ানোর স্থান না হওয়ায় নদীতে মৃতদেহ ভাসিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। সেগুলোই ভেসে আসছে বলে মনে করছেন তারা।

এনডিটিভি জানায়, এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নান্দাপুরা গ্রামের বাসিন্দারা দেখাচ্ছেন যে রুঞ্জ নদীতে মৃতদেহ ভাসছে।

গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, গ্রামের পাম্প কোনো কারণে না চললে আমরা এই নদীতে গোসল করি, নদীর পানিও খাই। গবাদি পশুরাও নদীর পানি পান করে। আমরা গ্রাম পঞ্চায়েতকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি।

পান্নার জেলা প্রশাসক সঞ্জয় মিশ্র জানান, স্থানীয়রাই বিশেষ এক প্রথার কারণে দু’টি মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন। একটি দেহ ৯৫ বছরের এক ব্যক্তির। অন্যটি ক্যানসারে আক্রান্ত এক রোগীর। এই মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে ঠিকভাবে সৎকার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, প্রত্যন্ত এলাকায় করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের কীভাবে সৎকার করতে হয়, তা তাদের জানা নেই। তাই মরদেহ থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় মরদেহগুলো নদীতে ভাসিয়ে দিচ্ছেন তারা।