সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:২৬
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

মধ্যপ্রদেশের নদীতেও ভেসে আসছে লাশ

অনলাইন ডেস্ক  করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারতে একের পর এক করুণ ছবি উঠে আসছে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের পর এবার মধ্যপ্রদেশেও নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

জানা যায়, মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলার রুঞ্জ নদীতে কমপক্ষে ৬টি মৃতদেহ ভেসে এসেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। সেখানে পচাগলা দেহগুলো জমা হচ্ছে নদীর পাড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, ভেসে আসা এসব মরদেহ করোনা আক্রান্তদের দেহ। শ্মশানে পোড়ানোর স্থান না হওয়ায় নদীতে মৃতদেহ ভাসিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। সেগুলোই ভেসে আসছে বলে মনে করছেন তারা।

এনডিটিভি জানায়, এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নান্দাপুরা গ্রামের বাসিন্দারা দেখাচ্ছেন যে রুঞ্জ নদীতে মৃতদেহ ভাসছে।

গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, গ্রামের পাম্প কোনো কারণে না চললে আমরা এই নদীতে গোসল করি, নদীর পানিও খাই। গবাদি পশুরাও নদীর পানি পান করে। আমরা গ্রাম পঞ্চায়েতকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি।

পান্নার জেলা প্রশাসক সঞ্জয় মিশ্র জানান, স্থানীয়রাই বিশেষ এক প্রথার কারণে দু’টি মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন। একটি দেহ ৯৫ বছরের এক ব্যক্তির। অন্যটি ক্যানসারে আক্রান্ত এক রোগীর। এই মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে ঠিকভাবে সৎকার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, প্রত্যন্ত এলাকায় করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের কীভাবে সৎকার করতে হয়, তা তাদের জানা নেই। তাই মরদেহ থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় মরদেহগুলো নদীতে ভাসিয়ে দিচ্ছেন তারা।