শুক্রবার, ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:৩৬
শিরোনাম :
বরিশালে চিকিৎসক কতৃক আরেক চিকিৎসক হেনস্তা বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বরিশালে ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকায় পোর্ট রোডে সড়কের মাঝে স্থাপনা বিনা টাকায় চাকরি পেলেন বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ৫৭ জন কর্মচারী জিম্মি নয়, রোগীদের আস্থার চিকিৎসক ডা. অমিতাভ সরকার! বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ‘ট্যাব উপহার’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড,গুম-নিপীড়নের মাধ্যমে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছিল শেখ হাসিনা: স্পিকার নানা আয়োজনে বরিশালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদ্মা সেতুতে বাস উল্টে নারী-শিশুসহ আহত ৮ ডা. অমিতাভের কাছে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সহ হাজারো রোগী জিম্মি, মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো : এসপি খাইরুল আলম

ডেস্করিপোর্ট  বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের ‘ দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স ‘ এর ২য় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রত্যেক পুলিশ সদ‌স্যের জন্য বছরে ন্যূনতম একবার প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা আরও বাড়বে।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া প্রশিক্ষনার্থী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই বাস্তব প্রশিক্ষণ পুলিশ সদস্যদের সকল কাজে আত্নবিশ্বাসী করে তুলবে; ফলে পুলিশ সদস্য পরিকল্পিত ভাবে কম ক্ষয় ক্ষতির মাধ্যমে নিখুঁত ভাবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে। এ জন্য পুলিশের প্রত্যেক সদস্যদের বছরে অন্তত একবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া আরো বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা ও সমগ্রীক উন্নয়ন ঘটবে।

বাংলাদেশ পুলিশের সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কোর্সের বাইরে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এ বছর ৬০ হাজার পুলিশ সদস্যের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী বছর ২ লাখ ১২ হাজার পুলিশ সদস্যদের প্রত্যেকের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

প্রত্যেক পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা প্রশিক্ষণ কোর্স, মডিউল এবং প্রশিক্ষক থাকবেন। কনস্টেবল থেকে অ্যাডিশনাল আইজি পর্যন্ত সকল পুলিশ সদস্য এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন।

২০৪১ সালের আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ প্রশিক্ষণ মাইলফলক হিসেবে সংযোজিত হবে।

উল্লেখ্য, কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বছরে এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রশিক্ষণ কোর্স প্রস্তুত করা হয়েছে।

এএসপি এবং তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ), সারদা, রাজশাহীতে, সাব-ইন্সপেক্টর হতে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিপিএ, টিডিএস, টিটিএস, এসটিএস, পিএসটিএস সহ সকল পিটিসি ও ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কনস্টেবল, নায়েক এবং এএসআই পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ৫৫ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিপিএ, পিটিসি, সকল ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ দেশের ১০৫টি পুলিশ ইউনিটের সকল পদমর্যাদার প্রশিক্ষণ একযোগে শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা বছর চলমান থাকবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ড. এসএম ফরহাদ হোসেন, কমান্ডেন্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়া, মোঃ সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, পুলিশ সুপার ,এস্টেট, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ,খুলনা, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অপরাধ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মোঃ রাজিবুল ইসলাম, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়া, আরওআই মোঃ শহীদুজ্জামান এবং ২য় ব্যাচের নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ