মঙ্গলবার, ১২ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:১৩
শিরোনাম :
বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত

সাংবাদিকরা কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেন: আইজিপি

ডেস্করিপোর্ট  পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা কোটি কোটি মানুষকে মোটিভেট করতে পারে আপনি ওপেনিয়ন বিল্ডার, ওপেনিয়ন বিল্ড করা অনেক কঠিন কাজ। সবাই তা করতে পারেন না। সাংবাদিকরা ওপেনিয়ন বিল্ড করেন। যেহেতু আপনারা মুহূর্তের মধ্যে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারেন, সেজন্য আপনাদের কলমের যে শক্তি সে শক্তি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন থাকবেন এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে নদী ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া ২ হাজার পরিবার জন্য নির্মিত কবরস্থান ও মসজিদের নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

মানবিক দিক বিবেচনা করে মেঘনা নদীর ভাঙনের শিকার দুই হাজার পরিবারে জন্য কবরস্থান তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, সাংবাদিকদের একটি লেখার মাধ্যমে একটি সমাজ ও দেশের পরিবর্তন হতে পারে। তার উদাহরণ হচ্ছে আজকের এই কবরস্থান তৈরি। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে এই বিষয়টি আমাদের নজরে আসে তার পর আমরা এই কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করি।

ড. বেনজীর আহমেদ মনে করেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তায় মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। ধর্মীয় সঠিক শিক্ষা পেলে কখনো কোন মানুষ গোমরাহির দিকে যেতে পারেনা। আমাদের দেশে ধর্মীয় শিক্ষার নামে শুধু আলিফ বা তা শিখানো হয়। ধর্মীয় শিক্ষা মানে শুধু আরবি শিক্ষা না, সবাইকে বাংলা আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা দিতে হবে। তাহলে শিশুরা সঠিক শিক্ষা পাবে, তাদের মধ্যে গোমরাহি তৈরি হবে না।

মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ভিটে-মাটি হারানো অন্তত দুই হাজার পরিবার এখন রামগতি-লক্ষ্মীপুর সড়কের ওপর বসবাস করছেন। সড়কের পাশে ঘর তুলে বসবাস করতে পারলেও তাদের অন্যান্য মৌলিক চাহিদাগুলো ছিলো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এতে পরিবারের কোনো সদস্য মারা গেলেও তাকে দাফন করা নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। নিজস্ব কোনো জায়গা বা কবরস্থান না থাকায় বাধ্য হয়েই যেখানে-সেখানে মরদেহ দাফন করতে হয়। এ ছাড়া মসজিদ না থাকায় অনেক দূরে গিয়ে অথবা ঘরে আদায় করতে হতো নামাজ। নদী ভাঙা এসব মানুষে কথা চিন্তা করে পুলিশের আইজিপির উদ্যোগে জেলা পুলিশ সর্বহারা মানুষগুলোর জন্য কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করে।