শামীম আহমেদ নিজ পৈত্তিক জমির ধান কর্তন করার শেষ প্রর্যায়ে পূর্ব শত্রæতার বিরোধের জেড় হিসাবে এক প্রর্যায়ে প্রতিপক্ষ ফুফাতো ভাইর ছেলে সৈয়দ শাহিনের নেতৃত্বে ছোট ভাই বাবু ভগ্নিপতি সহ ২৫/জন মিলে হামলা চালায় এসময় বাদী মাহাবুবুর রহমান সিকদার খালেককে বাচাতে তার স্ত্রী মোর্সেদা বেগম ছুটে আসলে তাকে মারধর করা সহ ছুরিকাহত করে।
ঘটনাটি ঘটেছে ২২ই ডিসেম্বর বাউফল থানাধীন,কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পরেই আহত মোর্সেদা বেগমকে ঐদিন বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
মোর্সেদা বেগম বর্তমানে হাসপাতালের তিন তলার মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এব্যাপারে ২২ই ডিসেম্বর বুধবার ভাওফল থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি এজাহার দায়ের করা হয়।
শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোর্সেদা বেগমের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, মাহাবুবুর রহমান সিকদার খালেকের নিজস্ব পৈত্তিক ৬০ কড়া জমি দীর্ঘদিন চাষাবাদ করে খাচ্ছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও তারা সেই জমিতে ধান রোপন রোপন করে এবং সেই চাষাবাদ জমির ধান কর্তন করার শেষ প্রর্যায়ে কর্তনকৃর্ত ধান জোড়পূর্বক লুঠ করে নেওয়ার উদ্যেশে হামলা করে।
হামলার এক প্রর্যায়ে স্ত্রী মোর্সেদা বেগম স্বামীকে রক্ষা করতে আসলে তার উপর হামলা ও মারধরের এক প্রর্যায়ে ছুরিকাহত করে আহত করে হামলাকারী চলে যায়।
এব্যাপারে মাহাবুবুর রহমান বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি লিখিত মামলার এজাহার দাখিল করা হলে থানা পুলিশ তা গ্রহন করে এস.আই মামুনকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।
এবিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মামুন বলেন মাহাবুব সিকদার থানায় এজাহার দিয়ে বরিশাল গেছেন,আমি তার সাথে কথা বলছি সে বরিশালে থাকার কারনে আমি এখন পর্যন্ত এলাকায় যেতে পারি নাই। আমি বর্তমানে একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য থানার বাহিরে আছি।