বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:১৩
শিরোনাম :
সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা

ঠাকুরগাঁওয়ে নদী অবৈধ দখল মুক্তের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  :ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্য বাহী পাথরঘাটা নদী পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নদীটি দখল মুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পাথরঘাটা নদী পাড়ের লোকজন ও গড়েয়া এলাকা বাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
পাথরঘাটা নদী পাড়ের সহস্রাধিক জনগণের অংশগ্রহনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গড়েয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ, ওই ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম মানিক, কৃষক আমিনুর রহমান ও যাদু মিঞা সহ পাথরঘাটা নদী পাড়ের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন নদ নদী অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে যাচ্ছে। পাথরঘাটা নদীটির ক্ষেত্রেও আমরা একই চিত্র লক্ষ্য করছি। গড়েয়ার এ নদীটি একটি ঐতিহ্যবাহী নদী। এ নদীর প্রবাহিত পানি দিয়ে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ করতো। গড়েয়া বাজারে কখনো আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা এ নদী থেকেই পানি নিতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি রহিদুল ইসলাম এ নদী ভরাট করে সেখানে মার্কেট নির্মান করেছে। এতে করে নদী দিক পরিবর্তন করে একদিকে যেমন নদী পাড়ের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অন্যদিকে নদীটিও এখন মৃতপ্রায় হয়ে পরে রয়েছে।
এলাকাবাসী এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নদী পুনরায় খননের জন্য মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, এর আগে আমার কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি। তবে এবার এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে গণ সাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র পেয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত করে নদীটি দখলমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।