শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:৪৬
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ভ্রাম্যমাণ অফিস করলেন মেয়র আতিক

ডেস্করিপোর্ট  রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে লাউতলা এলাকায় দ্বিতীয় দিনে রামচন্দ্রপুর খাল উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

রামচন্দ্রপুর খালকে উদ্ধার করতে রোববার থেকে উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে ডিএনসিসি। তিন দিনের এ উচ্ছেদ অভিযানের প্রথম দিনে দুটি বহুতল ভবন, একটি কাঁচাবাজার এবং ৪০টির বেশি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

দখল হওয়া খালের জায়গা উদ্ধার করতে এসে উচ্ছেদ অভিযানের প্রথম দিনে রোববার খোলা আকাশের নিচে টেবিল বসিয়েই অফিস করেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রোববারের মতো আজও উচ্ছেদ অভিযানে এসে টেবিল বসিয়েই ডিএনসিসির দাপ্তরিক কাজ করেছেন তিনি।

উচ্ছেদ অভিযানে এসে দাপ্তরিক কাজের বিষয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, শুক্র ও শনিবার দুদিন সিটি করপোরেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আর আমরাও অফিস খোলার প্রথম দিন অর্থাৎ রোববার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। আর আমি সরাসরি উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত থাকায় অনেক ফাইল জমে থাকবে। আমরা উচ্ছেদে থাকলেও যেন দাপ্তরিক কাজ জমে না থাকে, তার জন্য স্পটের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ অফিস করা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা কাজে থাকলেও ভ্রাম্যমাণ এই অফিসে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের স্বাক্ষর করা হবে।

খাল উদ্ধারের বিষয়ে মেয়র আতিক বলেন, ঢাকা সিটির জলাবদ্ধতা দূর করতে আমরা ক্রমান্বয়ে সব খাল উদ্ধার করব। খালগুলো নিয়ে আমাদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে মানুষের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে এবং দুই পাড়েই লাইট স্থাপন করা হবে। আমরা রোববার সকাল থেকে মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ কার্যক্রমে উপস্থিত থাকব। কোনো দখলদার এসে যেন খালের জায়গা নিজের দাবি না করতে পারে। যারা ইতোমধ্যে খালের জায়গা দখল করে বহুতল ভবনসহ নানা স্থাপনা তৈরি করেছেন, তাদের বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করে খালগুলো বেদখল করা হবে।