শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ১১:২৫
শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার

উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেন সফরে যাচ্ছেন এরদোগান

অনলাইন ডেস্ক  বর্তমানে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান টানটান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি ইউক্রেন সফরে যাচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। খবর হুররিয়াতের।

এর আগেগত ২০ জানুয়ারি এরদোগান বলেছিলেন, আমি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোডিমির জেলেস্কিকে আঙ্কারায় আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে বেশ মাথা ঘামাচ্ছে তুরস্ক। তুরস্কের এই বিষয়টি নিয়ে দৌড়ঝাপ করার কারণ হলো তাদের কিছু স্বার্থ এর সঙ্গে জড়িত।

২০১৯ সাল থেকে ইউক্রেনে ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক। তাদের তৈরি বায়রাকতার টিভি২ ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেন।

যদি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে তাহলে তুরস্কের ড্রোন রপ্তানি হুমকির মুখে পড়বে। ইউক্রেনের কাছে আরও ড্রোন বিক্রির চুক্তি করেছে তুরস্ক।

এই ড্রোন ইউক্রেনের মাটিতেই তৈরি করার জন্য একটি কারখানা বানানোর কাজ করে যাচ্ছে দেশটি।

আরেকটি বিষয় হলো, রাশিয়ার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিরিয়ায় কয়েকটি সামরিক অভিযানে যুক্ত আছে তুরস্ক। যেখানে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও কুর্দিদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাছাড়া অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়ার ওপর অনেকটা নির্ভরশীল তুরস্ক। কারণ প্রতিবছর রাশিয়া থেকে অনেক পর্যটক আসে দেশটিতে। এরমাধ্যমে বৈদশিক মুদ্রা আয় করে তারা।

আরেকটি বড় বিষয় সেটি হলো, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। আর ন্যাটোতে তাদের রয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৈন্য। ফলে ন্যাটো যদি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে যায় তখন তুরস্কের থাকতে হবে সবার আগে।

এ কারণে তুরস্ক যেকোনোভাবে নিরপেক্ষ থাকতে চায়। সবার আগে এরদোগানের প্রচেষ্টা হচ্ছে দুই প্রতিবেশীকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। এ কারণেই উত্তেজনার পারদ নিচে নামানো জন্য ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইউক্রেন সফরে যাচ্ছেন এরদোগান।