শনিবার, ৮ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৩০
শিরোনাম :
কনটেন্ট ক্রিয়েটর পাভেল মুন্সির মনগড়া অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, স্থানীয়দের ক্ষোভ! তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় চীনের জনগণ ও সরকার প্রেমিককে পেতে মুসলিম হলেন হিন্দু তরুণী,বিয়ে হলেও মিথ্যা মামলায় প্রেমিক তামিম জেল হাজতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবারের ছুটি বাতিল সরকারি চাকরিজীবীদের জেলেদের আগের তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সময়ের আগেই ধান কাটতে বাধ্য হওয়ায় হাওড়ের কৃষকদের চোখে হতাশার ছাপ বরিশালে শিশু সন্তানসহ গৃহবধূ নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীনের দূরদর্শিতায় এগিয়ে যাচ্ছে এ.কে স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের ২০ শতাংশ মানুষ ভুগছে থাইরয়েড রোগে

মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও দুর্ঘটনা রোধে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ।। মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও দুর্ঘটনা রোধকল্পে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জানুয়ারি ২০২৫) বিকাল সাড়ে ৩টায় মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও দুর্ঘটনা রোধকল্পে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এডিশনাল ডিআইজি ও অতিরিক্ত দায়িত্বে সিলেট রিজিয়ন মো: খাইরুল আলম। এসময়ে তিনি মহাসড়ক কেন্দ্রিক সকল স্টেক হোল্ডারদের বক্তব্য গভীর মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করেন এবং হাইওয়ে পুলিশকে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শৃঙ্খলা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অফিসারদের নির্দেশনা প্রদান করেন। কোন অসাধু ব্যবসায়ীগণ যেন মহাসড়কের উপরে পাথর, বালু, ইট বা অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী রেখে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানাকে নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এছাড়াও তিনি মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী সকল ধরনের থ্রি হুইলার ও ফিটনেস বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অফিসার ইনচার্জ খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ, স্থানীয় রাজনৈতিক নের্তৃত্ব, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নের্তৃত্ব, পরিবহন সেক্টরের মালিক ও শ্রমিক নের্তৃত্ব, সুধী বৃন্দ এবং ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ।