মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৪৪
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

নাইজেরিয়ায় যুদ্ধবিমানের ‘ভুল আক্রমণে’ ৬ বেসামরিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক ।। নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কাটসিনা রাজ্যে সেনাবাহিনীর একটি বিমান সন্ত্রাসীদের তাড়া করার সময় ভুল করে আক্রমণ চালিয়ে কমপক্ষে ছয় জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিন জন বাসিন্দা জানিয়েছেন, শনিবার সাফানা জেলার জাক্কা গ্রামের উপকণ্ঠে কয়েকটি কুঁড়েঘরে বোমাটি ফেলা হয়। গ্রামে পুলিশের একটি ঘাঁটিতে ডাকাতরা হামলা চালিয়ে দুই পুলিশ সদস্য এবং তাদের সহায়তাকারী একজন পাহারাদারকে হত্যা করার পর এই হামলা চালানো হয়।

জাক্কার বাসিন্দা মুন্তারি সাদা এএফপিকে জানান, ডাকাতরা সরে যাওয়ার পর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়। গ্রামের বাইরে একটি পরিবারের কুঁড়েঘরে আঘাত হানার আগে এটি গ্রামের চারপাশে প্রদক্ষিণ করে।

নিহতদের জানাজায় অংশ নেওয়া মুন্তারি সাদা বলেন, পরিবারের ছয় সদস্য নিহত হয়েছে এবং তাদের দেহের বিভিন্ন অংশ ব্যাগে করে দাফনের জন্য সংগ্রহ করতে হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও তাৎক্ষণিক তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে মৃতের সংখ্যা ১০ জন বলে জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে এএফপি বক্তব্য জানতে চাইলে দেশটির সেনাবাহিনী কোন সাড়া দেয়নি। নাইজেরিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বহু বছর ধরে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। স্থানীয়ভাবে তাদেরকে ‘ডাকাতদল’ বলা হয়।

এই গোষ্ঠীগুলো উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য নাইজেরিয়ার জনপদগুলোকে আতঙ্কিত করে সেখানকার গ্রামগুলোতে হামলা চালায়। তারা মুক্তিপণের জন্য বাসিন্দাদের হত্যা বা অপহরণ করে এবং লুটপাটের পর বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। এই সর্বশেষ আক্রমণটি দেশের উত্তরে এই ধরনের ধারাবাহিক অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা।